EN ☀️
×

Follow Us

বসুন্ধরা শুভসংঘ

ধীরাজ ভট্টাচার্যকে স্মরণ, কেশবপুরে ১২১তম জন্মবার্ষিকী পালিত

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম

ধীরাজ ভট্টাচার্যকে স্মরণ, কেশবপুরে ১২১তম জন্মবার্ষিকী পালিত

কেশবপুরে ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভা।

অ অ

উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও সাহিত্যিক ধীরাজ ভট্টাচার্যের ১২১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরের কেশবপুরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার পাঁজিয়া গ্রামের পাঁজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ কেশবপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

শুভসংঘের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ অসীম কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পাঁজিয়া সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদের সহসম্পাদক মানব মণ্ডল। প্রধান আলোচক ছিলেন ধীরাজ ভট্টাচার্যের জীবনীগ্রন্থের লেখক সহকারী অধ্যাপক তাপস মজুমদার। আলোচনায় অংশ নেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উজ্জ্বল ব্যানার্জী, সংসদের সভাপতি নজরুল ইসলাম খান, জ্যেষ্ঠ শিক্ষক সুব্রত চক্রবর্তী ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী বিদিশা ব্যানার্জী বিন্দু।

বক্তারা জানান, ১৯০৫ সালের ৫ নভেম্বর পাঁজিয়া গ্রামে জন্ম ধীরাজ ভট্টাচার্যের। এই বিদ্যালয়েই তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। পরে কলকাতায় চলে গিয়ে পুলিশ বিভাগে চাকরি নেন তিনি। এরপর চলচ্চিত্রে অভিনয় ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে পরিচিতি পান। নায়ক ও খলনায়ক, দুই ভূমিকাতেই দর্শকপ্রশংসা পেয়েছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘যখন পুলিশ ছিলাম’ ও ‘যখন নায়ক ছিলাম’।

আলোচনায় উঠে আসে টেকনাফের মাথিনের সঙ্গে তাঁর আলোচিত প্রেমকাহিনিও। কথিত আছে, পুলিশের চাকরিসূত্রে টেকনাফে থাকাকালে মগ রাজার কন্যা মাথিনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ধীরাজ কলকাতায় ফিরে গেলে মাথিন একটি কূপের পাশে অনশনে মারা যান বলে লোকমুখে প্রচলিত, যা পরে ‘মাথিনের কূপ’ নামে পরিচিতি পায়।

বক্তারা বলেন, পাঁজিয়ার মতো গ্রাম থেকে উঠে এসে উপমহাদেশের চলচ্চিত্রজগতে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর জন্মভূমিতে এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মকে এই গুণী মানুষের অবদান জানতে সহায়তা করবে। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

আরও পড়ুন