EN ☀️
×

Follow Us

বসুন্ধরা শুভসংঘ

কালকিনিতে নারী শিক্ষায় বাধা নিয়ে আলোচনা, কৃতী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা

বাল্যবিবাহ, দারিদ্র্য ও ঝরে পড়া রোধে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

ডেইলি সান রিপোর্ট, মাদারীপুর

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম

কালকিনিতে নারী শিক্ষায় বাধা নিয়ে আলোচনা, কৃতী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা
অ অ

নারী শিক্ষার পথে প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং শিক্ষার্থীদের সাফল্যে উৎসাহিত করতে মাদারীপুরের কালকিনিতে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। ‘শুভ কাজে সবার পাশে’ স্লোগানে বসুন্ধরা শুভসংঘ কালকিনি শাখা এ আয়োজন করে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকালে কালকিনি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে ‘নারী শিক্ষায় প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকারের উপায়’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ কালকিনি শাখার সহসভাপতি নাঈমুল হাসান নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাস। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শাখার সাধারণ সম্পাদক তানহা ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হামিদা খাতুন এবং কালকিনি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরেশ চন্দ্র গাইন। এ ছাড়া শিক্ষক, শুভসংঘের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য ও মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের প্রশিক্ষকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দারিদ্র্য, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া, বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম, পারিবারিক অসচেতনতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং নিরাপত্তাজনিত সমস্যা নারী শিক্ষার বড় বাধা। এসব সমস্যা দূর করতে পরিবার, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও সমাজের সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাস বলেন, দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের সহায়তা বাড়ানো, ঝরে পড়া রোধে কার্যকর উদ্যোগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, নারী শিক্ষার প্রসার ঘটলে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল প্রজন্ম গড়ে উঠবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় এ প্রজন্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আলোচনা শেষে ডিগ্রি পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস অর্জন করায় বসুন্ধরা শুভসংঘ কালকিনি শাখার সাধারণ সম্পাদক তানহা ইসলামকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ফলাফলে মাদারীপুর সরকারি কলেজ থেকে ডিগ্রি পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস অর্জন করেন তিনি।

তানহা ইসলাম বলেন, তার এ অর্জনের পেছনে পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুপ্রেরণা রয়েছে। ভবিষ্যতেও পড়াশোনার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান তিনি।

আরও পড়ুন