EN ☀️
×

Follow Us

বসুন্ধরা শুভসংঘ

গোবিন্দগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরিতে ১৫০ বই দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ

পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরিতে বই উপহার দিয়েছে শুভসংঘ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম

গোবিন্দগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরিতে ১৫০ বই দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ

গোবিন্দগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের কাছে বই হস্তান্তর করছেন বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতিনিধি।

অ অ

পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ বাড়াতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরিতে ১৫০টি বই উপহার দিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। 

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) লাইব্রেরিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ গাইবান্ধা জেলা শাখার উপদেষ্টা হুমায়ুন আহমেদ বিপ্লব লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের কাছে এসব বই হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পাবলিক লাইব্রেরি গোবিন্দগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক শুভংকর শিতু এবং সদস্য তামান্না রজনী, দ্বীপ মহন্ত, সুদীপ্ত, তীর্থ ও মুন। বক্তারা বলেন, একটি আলোকিত ও মানবিক সমাজ গঠনে বইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে বিনোদনের সুযোগ বাড়লেও জ্ঞান ও সৃজনশীলতা বিকাশে বই পড়ার গুরুত্ব কমেনি। তাই তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করা প্রয়োজন।

বই গ্রহণের পর সাধারণ সম্পাদক শুভংকর শিতু বলেন, শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। তিনি জানান, বসুন্ধরা শুভসংঘের কাছ থেকে তারা ১৫০টি বই বুঝে পেয়েছেন, যা পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এ জন্য তিনি বসুন্ধরা শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানান।

এর আগে গোবিন্দগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরিতে ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ কর্নার’ উদ্বোধন করেন দেশের খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক ও বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ইমদাদুল হক মিলন। সে সময় তিনি লাইব্রেরিতে ৬০টি বই প্রদান করেন, যা দিয়ে কর্নারটির যাত্রা শুরু হয়। এবার নতুন ১৫০টি বই যুক্ত হওয়ায় কর্নারের সংগ্রহ আরও সমৃদ্ধ হলো।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিভিন্ন বয়সী পাঠক, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বসুন্ধরা শুভসংঘ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, মানবিকতা, পরিবেশ ও সামাজিক সচেতনতা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। বই বিতরণ ও পাঠাগার সমৃদ্ধ করার এই উদ্যোগও সংগঠনটির জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের কার্যক্রমের অংশ।

আয়োজকরা বলেন, পাঠাগারকে কেন্দ্র করে নিয়মিত সাহিত্য আড্ডা, বইপাঠ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আয়োজন করা হলে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে জ্ঞানচর্চার আগ্রহ আরও বাড়বে। এর মাধ্যমে গোবিন্দগঞ্জে একটি প্রাণবন্ত পাঠকসমাজ গড়ে ওঠার পাশাপাশি শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার পরিসরও বিস্তৃত হবে বলে তাদের প্রত্যাশা।

আরও পড়ুন