প্রকৃতির মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুদের ভ্রমণ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মেতে ওঠেন সংগঠনের সদস্যরা
বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে মিডলচরে নৌকা ভ্রমণ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠেন বসুন্ধরা শুভসংঘ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যরা।
প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে সময় কাটিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যরা। সংগঠনটির উদ্যোগে গত ১৮ আগস্ট বিকেলে রাজশাহীর মনোরম মিডলচরে নৌকা ভ্রমণ ও ব্যতিক্রমী ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে নৌকায় করে মিডলচরের উদ্দেশে যাত্রা করেন সংগঠনের সদস্যরা। নৌযাত্রায় গান, আড্ডা ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। চরে পৌঁছানোর পর আয়োজন করা হয় নানা ধরনের খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতা।
আয়োজনে মেয়েদের জন্য কাপড়ে নকশা করে সেলাই প্রতিযোগিতা, ছেলেদের জন্য মোরগ লড়াই এবং ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি ছিল ফটোসেশন। আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল আঞ্চলিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা, যা উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করে।
বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধু মুক্তা আক্তার বলেন, ‘নৌভ্রমণ, খেলাধুলা ও আড্ডা—সব মিলিয়ে দিনটি ছিল দারুণ আনন্দের। এমন আয়োজন আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে।’
আরেক বন্ধু অংকজাই মারমা বলেন, ‘মিডলচরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে বন্ধুদের সঙ্গে এমন সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা সত্যিই অসাধারণ। ভিন্নধর্মী খেলাগুলো আয়োজনটিকে আরও উপভোগ্য করেছে।’
বসুন্ধরা শুভসংঘ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আলফাজ উদ্দিন টনিক বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের নিয়ে এমন একটি আনন্দঘন আয়োজন করতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু একটি ভ্রমণের আয়োজন করা নয়, বরং সংগঠনের সদস্যদের একে অপরের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসা, ব্যস্ততার মাঝে একটু আনন্দের সময় তৈরি করা এবং পারস্পরিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করা। তাই প্রচলিত আয়োজনের বাইরে গিয়ে নৌভ্রমণের পাশাপাশি কিছুটা ভিন্নধর্মী খেলাধুলা ও আঞ্চলিক বিতর্কের আয়োজন করেছি। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই আমাদের আয়োজনকে সফল করেছে। ভবিষ্যতেও সদস্যদের মতামত ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়ে আরও সৃজনশীল আয়োজন করার চেষ্টা থাকবে।’
এ বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাহবুব হাসান বলেন, ‘সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক বন্ধন বাড়ানোর পাশাপাশি আনন্দের মাধ্যমে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। প্রচলিত আয়োজনের বাইরে গিয়ে কিছুটা ভিন্নতা আনার চেষ্টা করেছি আমরা। ভবিষ্যতেও এমন সৃজনশীল আয়োজন অব্যাহত থাকবে।’
প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য, নৌভ্রমণ, খেলাধুলা ও আড্ডায় দিনটি সদস্যদের জন্য হয়ে ওঠে আনন্দ ও স্মৃতির এক ব্যতিক্রমী আয়োজন।