EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই ব্যবহার বাড়াতে কাজ করছে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম

ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই ব্যবহার বাড়াতে কাজ করছে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
অ অ

ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কার্যকর ব্যবহার এবং প্রযুক্তিনির্ভর জনসেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার। এসব ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লোক সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেন, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ই-কমার্স ও ডিজিটাল অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিস্তৃত ডাকঘর নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের মাধ্যমে ই-কমার্স, পার্সেল সরবরাহ ও সমন্বিত পণ্য পরিবহন সেবার কার্যকর কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

তিনি সরকারি সেবায় ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যসেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, সরকারি কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে বাংলাদেশ আগ্রহী।

সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার ডেরেক লোক বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।

তিনি বাংলাদেশের বিস্তৃত ডাক অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে ই-কমার্স, পার্সেল সরবরাহ ও পণ্য পরিবহন সেবার উন্নয়নের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি সরকারি সেবায় ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জনসেবার দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

স্বাস্থ্যসেবা, গবেষণা, জীবচিকিৎসা প্রযুক্তি ও সরকারি সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর প্রয়োগের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর পরিবর্তনশীল বিশ্বে তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলা জরুরি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ে সিঙ্গাপুর আগ্রহী।

উভয় পক্ষ ডিজিটাল অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জনসেবার আধুনিকায়নে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত দেন।

সাক্ষাৎকালে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ফিলিপ ওং, ডেস্ক কর্মকর্তা ম্রিথিনি টিজিট্রিথারান এবং এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক উন্নয়ন অংশীদার বেঞ্জামিন চু উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন