EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

শিল্প-সংস্কৃতিকে দেশের ‘সফট পাওয়ার’ করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ পিএম

শিল্প-সংস্কৃতিকে দেশের ‘সফট পাওয়ার’ করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

শিল্প-সংস্কৃতিকে দেশের অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের ‘সফট পাওয়ার’ বা সাংস্কৃতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। শিল্প-সংস্কৃতি, গ্রামীণ কারুশিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র ও থিয়েটারকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ করে জিডিপি প্রবৃদ্ধির নতুন ক্ষেত্র তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস’ (Creative Footprints) শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে বইটি প্রকাশ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত অর্থনৈতিক ধারণায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের তুলনায় কম গুরুত্ব দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার এ ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

এ খাতের বিকাশে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগে সৃজনশীল শিল্পের দ্রুত বিকাশ সম্ভব নয়। এ জন্য নীতিগত সহায়তা ও অর্থায়নের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাজেটে এ খাতের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি খাত থেকেও বড় ধরনের বিনিয়োগ আসতে শুরু করেছে।

দেশীয় কারুশিল্পী, চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো, নকশার আধুনিকায়ন এবং পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে সরকারি সহায়তা বাড়ানো হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশীয় সৃজনশীল পণ্যের বাজার সম্প্রসারণেও সহায়তা দেওয়া হবে। এর ফলে প্রান্তিক শিল্পীরা তাঁদের কাজের ন্যায্য মূল্য পাবেন। পাশাপাশি তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ বাড়বে।

সংগীত, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও হস্তশিল্পের ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে এ খাতে বড় ধরনের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এ ছাড়া বক্তব্য দেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক।

আরও পড়ুন