EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

একদিনে ৩ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর হ্যাটট্রিক সফর, দিলেন সম্প্রীতির বার্তা

আল-আমিন বিন আলী

আল-আমিন বিন আলী

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ পিএম

একদিনে ৩ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর হ্যাটট্রিক সফর, দিলেন সম্প্রীতির বার্তা
অ অ

শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমীতে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সর্বজনীন উৎসবের বার্তা নিয়ে দেশের তিন বিভাগে অভূতপূর্ব ও ব্যতিক্রমী হ্যাটট্রিক সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজধানীর বাইরে তৃণমূল পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া।

সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহ সভাপতি ও সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপির সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে একটি সামরিক বিমানে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা। পর্যায়ক্রমে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তারা।

দিনের শুরুতে রংপুর বিভাগের নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর সড়কপথে সরাসরি রংপুরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে ঐতিহাসিক রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

রংপুরের কর্মসূচি শেষে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী বিমানে পৌঁছান রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে। দুপুর দেড়টায় রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এরপর সার্কিট হাউসে সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম শেষে নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় বক্তব্য দেন।

আখচাষীদের দিলেন ১২ কোটি টাকা

রাজশাহী অঞ্চলের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষীর মাঝে ১২ কোটি প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিকেলে রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আখচাষীদের প্রণোদনা প্রদান ও জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কম্পিউটারে বোতাম টিপে এই অর্থ সংশ্লিষ্ট চাষীদের মোবাইল একাউন্টে প্রদান করেন।

পরে রাজশাহীর জনসভা ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বিমানে যাত্রা করেন তারেক রহমান। সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।

চট্টগ্রামে পৌঁছে তিনি রহমতগঞ্জের ঐতিহাসিক জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও ধর্মীয় নেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

তিন বিভাগে আজকের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কয়েকটি মতবিনিময় ও জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এর মধ্যে রাজশাহীতেই একাধিক বক্তব্য দেন। তার মধ্যে একটি হলো নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে, আরেকটি রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।

‘সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে হবে’

রংপুরের পাগলাপীরে এক পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে দেশ স্বাধীন করেছেন। এখন ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। সবার সম্মিলিত পরিশ্রমেই দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, কৃষকদের ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে এবং শিগগিরই কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগ রয়েছে। পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সরকারের লক্ষ্য।

‘পানির হিস্যা আদায় করার জন্য যা করার দরকার তাই করা হবে’

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলছেন, পানির সমস্যা নিরসনে তিস্তা ও পদ্মা ব্যারেজ হবে। পানির হিস্যা আদায় করার জন্য যা করার দরকার তাই করা হবে। রাজশাহীতে পদ্মা নদী আছে। আমরা দেখেছি কীভাবে পদ্মা নদী শুকিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পানির সমস্যা যারা তৈরি করেছে তাদের সাথে আমরা কথা বলব। দরকার হলে বাংলাদেশের মানুষের পানির হিস্যা আদায় করার জন্য যতদূর আমাদেরকে যেতে হয় আমরা চেষ্টা করব। ততদূর যেতে, কিন্তু ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের পানির হিস্যা আমরা নিয়ে আসার চেষ্টা করব। আমরা এই পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা ব্যারাজের কাজ শুরু করব এবং শেষও করব ইনশাআল্লাহ।

‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুই পক্ষ এক হয়েছে’

বিকেলে হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের কয়েকটি জায়গায় ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। পলাতক স্বৈরাচার শ্রমিক অসন্তোষ তৈরিতে অর্থ সরবরাহ করছে। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করা কয়েকটি দলও এতে যুক্ত হয়েছে।

শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে, তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে।...কাদের সাহায্যে করছে? এই যে কতটা দল আছে, যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশের মধ্যে। তারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার দেশে স্থিতিশীলতা আনতে, নিরাপত্তা বাড়াতে, বন্ধ কলকারখানা চালু করতে এবং কৃষকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে কাজ করছে। সরকার শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়িয়ে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু কয়েকটি দল রাজপথে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে এসব কাজ বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে।

এ সময় অনুষ্ঠানে রাজশাহী অঞ্চলের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষীর মাঝে ১২ কোটি প্রণোদনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এখন আমি কম্পিউটার একটা বোতাম চাপ দেব। চাপটা দেওয়ার সাথে সাথে কয়েক মিনিটের মধ্যে আখচাষী ভাইদের একাউন্টে সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া সহযোগিতা কয়েক মিনিটের মধ্যে ইনশাল্লাহ পৌঁছে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার আখচাষীদের সহযোগিতার জন্য মোট ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দের অর্থ ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। আমি আশা করছি কৃষকদের এ সহযোগিতা তাদের আখ চাষে সহায়তা করবে।’

‘ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের অধিকার সমান’

বিকেলে রাজশাহীর ধর্মসভা (রাধা গোবিন্দ মন্দির) মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ধর্ম, বর্ণ, পেশা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান। কাউকে পেছনে ফেলে নয়, বরং সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার।’

তিনি বলেন, ‘দেশের সংবিধান ও আইন অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রত্যেক নাগরিক সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী।’

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী এবং এ দেশে বেড়ে ওঠা প্রত্যেক মানুষকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে বিএনপি। একজন মানুষ যে ধর্মের, যে পেশার কিংবা যে জাতেরই হোন না কেন, নাগরিক হিসেবে তার অধিকার সমান।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এই দেশকে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আমরা যে ধর্মের মানুষই হই না কেন, সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।’

তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সবার সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন। কোনো জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই বাংলাদেশে আমরা জন্মেছি, এই বাংলাদেশেই আমরা বড় হয়েছি। এখানেই আমাদের থাকতে হবে। আমাদের সন্তানরাও এই দেশেই বড় হবে। কাজেই আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশি পরিচয়ই দেশের সব মানুষের অভিন্ন পরিচয়। তাই আমাদের দৃষ্টিতে সকল ধর্মের সবাই সমান। 

তারেক রহমান বলেন, জনগণের ভোটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই।

এ সময় তিনি দেশের উন্নয়ন ও কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যৎ নির্মাণে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আবারও শারদীয় শুভেচ্ছা জানান।

‘আমাদের পরিচয় ধর্মীয় নয়, আমরা বাংলাদেশি’

ধর্মীয় বিশ্বাস নির্বিশেষে বাংলাদেশের সব নাগরিকের অভিন্ন জাতীয় পরিচয় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই দেশে জন্মেছি, এই দেশে বড় হয়েছি, আমরা এই দেশের নাগরিক। আমরা মুসলমান বা হিন্দু যা-ই হই না কেন, এটা আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি।”

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর রহমতগঞ্জ এলাকায় জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে জনগণকে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সকলের। আমাদের পরিচয় ধর্মের পরিচয় নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয়, আমরা বাংলাদেশি। বাংলাদেশ সবার, সব নাগরিকের।

নিজের নির্বাসিত জীবনের কথা স্মরন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজনৈতিক কারণে বাধ্য হয়ে ১৭ টি বছর বিদেশে থাকতে হয়েছিলো। মুসলমান হিসেবে বাংলাদেশে আমি সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও, বিদেশে আমি সংখ্যালঘু ছিলাম। কাজেই সংখ্যাগরিষ্ঠ বা সংখ্যালঘু বিষয় না। বিষয় একটি ই আপনি বাংলাদেশি।”

মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল ধর্মের জীবনদানের কথা স্মরন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলো। যুদ্ধের মাধ্যমে তারা এই প্রিয় মাতৃভূমিকে ছিনিয়ে এনেছিলো। যুদ্ধে কয়েক লক্ষ মানুষ শহীদ হয়ে যায়। সেদিন কিন্তু আমরা দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু।”

"আমরা কোনো ধর্ম দেখিনি। আমরা দেখেছি, তারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো। তারা দেশকে স্বাধীন করতে চেয়েছিলো,” তিনি বলেন।

সারাদিন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, মতবিনিময় ও জনসভা শেষে রাতে বিমানযোগে পুনরায় রাজধানী ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন