চিংড়ি রপ্তানিতে গুণগত মান নিশ্চিত করার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৭ এএম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গুণগত মান, উৎপাদনশীলতা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও শ্রমিকদের জন্য শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরাটন ঢাকা হোটেলে ‘বিল্ডিং আ রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড ইনক্লুসিভ শ্রিম্প সাপ্লাই চেইন’ শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় টেকসই মৎস্যচাষের প্রসার, উৎপাদনের মান উন্নয়ন, জলজ প্রতিবেশব্যবস্থার সুরক্ষা এবং চাষিদের সহায়তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চিংড়ি খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও এর মূল্যশৃঙ্খল শক্তিশালী করতে মন্ত্রণালয়, বেসরকারি খাত এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে কাজ অব্যাহত থাকবে।
তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট সামুদ্রিক খাদ্য (সি ফুড) রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে চিংড়ি রপ্তানি থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার। এসব রপ্তানি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং হাজারো চিংড়িচাষি ও শ্রমিকের জীবিকা নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ সফররত শেফদের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের চিংড়ি উৎপাদকদের আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দেবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পারস্পরিক আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত বাজারে প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারণেও সহায়তা করবে।
বাংলাদেশের চিংড়ি খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত করে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেয়জা (ড. Michal Krejza)। সমাপনী বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনন (Max Tuñón)।