EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ফরিদপুরে সারের ডিলারশিপ নিয়োগে অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ

ডেইলি সান রিপোর্ট, ফরিদপুর

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৩ এএম

ফরিদপুরে সারের ডিলারশিপ নিয়োগে অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ

সার। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

ফরিদপুর জেলাজুড়ে সারের নতুন ডিলারশিপ প্রদানকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্নীতি, অনিয়ম ও বিপুল অংকের অর্থের লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত একাধিক আবেনকারী এ অভিযোগ করছেন।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ— যোগ্য ও বিগত দিনে হামলা-মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে অরাজনৈতিক ও সুবিধাবাদীদের সারের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার (১১ অক্টোবর) নগরকান্দা উপজেলায় এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয়, প্রতিটি সারের লাইসেন্স বা ডিলারশিপের জন্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। এছাড়া নিয়ন্ত্রণমূলক নীতিমালার তোয়াক্কা না করে লাইসেন্স ইস্যু করার অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, তাদের এই প্রতিবাদ ও অভিযোগকে প্রশাসন বা সার সংক্রান্ত কমিটি অদৃশ্য কোনো কারণে গুরুত্ব দিচ্ছে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় কৃষকদের সঠিক সময়ে ও নিয়মিত সার সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার সম্প্রতি নতুন করে সারের ডিলারশিপের জন্য আবেদন আহ্বান করে।

বিএনপি নেতা-কর্মীদের দাবি, দলীয় ত্যাগী ও নির্যাতিত কর্মীরা এই সুযোগ পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে লাইসেন্স বণ্টন করা হয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী, সারের ডিলারশিপ ও লাইসেন্স যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের জন্য উপজেলা পর্যায়ে একটি সার মূল্যায়ন ও মনিটরিং কমিটি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এই কমিটির সভাপতি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সারের লাইসেন্স সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও নিয়মতান্ত্রিক তদন্তের মাধ্যমেই দেওয়া হয়েছে। কারো কাছ থেকে কোনো অনৈতিক সুবিধা বা টাকা নেওয়া হয়নি। যারা লাইসেন্স পাননি বা বঞ্চিত হয়েছেন, তারাই মূলত এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছেন।’

আরও পড়ুন