EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

জিলাপি বিতরণ নিয়ে বিরোধ, বিএনপি নেতাকে মারধরের অভিযোগ

ডেইলি সান রিপোর্ট, লক্ষ্মীপুর

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১০ এএম

জিলাপি বিতরণ নিয়ে বিরোধ, বিএনপি নেতাকে মারধরের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে জিলাপি বিতরণকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা আলমগীর মোল্লাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।

ঘটনার দুই দিন পর আলমগীর মোল্লা ও তাঁর পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেন হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন। মামলা প্রত্যাহার ও হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার চর লরেঞ্চ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অর্ধশতাধিক মানুষ অংশ নেন। তাঁরা চাঁদাবাজির মামলা প্রত্যাহার, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত ২ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে নবীগঞ্জ বাজারে জিলাপি বিতরণকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আলমগীর মোল্লার সঙ্গে নুর মোহাম্মদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নুর মোহাম্মদ, তাঁর ছেলে শাহাদাত হোসেন, ফয়সাল ও আরাফাত হোসেনসহ কয়েকজন আলমগীর মোল্লার ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে তিনি রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। 

স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘটনার দুই দিন পর, ৪ অক্টোবর আলমগীর মোল্লা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় লক্ষ্মীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেন শাহাদাত হোসেন। মামলায় আলমগীর মোল্লার ছেলে মো. নোমান ও মেয়ের জামাতা মো. ওসমানকেও আসামি করা হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হামলার ঘটনায় আহত হওয়ার পর আলমগীর মোল্লা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়েরের বিষয়টি তাঁদের উদ্বিগ্ন করেছে। তাঁরা মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানান। পাশাপাশি নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা আরও বলেন, বিএনপি নেতা আলমগীর মোল্লার ওপর হামলার অভিযোগ তদন্ত করে নুর মোহাম্মদ, শাহাদাত হোসেন, ফয়সাল হোসেন ও আরাফাত হোসেনসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

মানববন্ধনে বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, ছাত্রনেতা সজীবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী শাহাদাত হোসেনের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন