EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাস, উঠবে ৫০–৭০ লাখ ঘনফুট

ডেইলি সান রিপোর্ট, নোয়াখালী

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ এএম

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাস, উঠবে ৫০–৭০ লাখ ঘনফুট

ছবি: পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে এটির আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। সংগৃহীত

অ অ

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার সুন্দলপুর-৪ গ্যাস কূপে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে নির্ধারিত খননকাজ শেষে কূপে স্থাপন করা পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এই গ্যাস সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) তত্ত্বাবধানে গত ২৯ জুলাই কূপটির খননকাজ শুরু হয়। সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে কূপটির অবস্থান। এটি একটি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ।

এর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর এলাকায় একই গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে ১, ২ ও ৩ নম্বর কূপ খনন করা হয়। নতুন কূপটি সেনবাগে হলেও একই ভূগর্ভস্থ গ্যাসক্ষেত্রের অংশ হওয়ায় এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দলপুর-৪’।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, কূপটিতে আধুনিক ‘ডিরেকশনাল ওয়েল’ পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি (মেজারিং হোয়াইল ড্রিলিং) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। মাটির নিচে মোট ১ হাজার ৫৭৮ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতায় গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর এখন ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) বা চূড়ান্ত পরীক্ষা চলছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এই পরীক্ষা শেষ হলে কূপের মোট মজুত ও দৈনিক উত্তোলন সক্ষমতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সুন্দলপুর-৪ প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্যাসের স্তর আগেই চিহ্নিত হয়েছিল। তবে মঙ্গলবার পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে এর আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। ডিএসটি পরীক্ষা শেষ হলে গ্যাসের মজুতের প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।

আরও পড়ুন