EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সেবায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন রাজু আহমেদ

বিশ্ব হাসি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সেবায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন রাজু আহমেদ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেয়েছেন লক্ষ্মীপুর নন্দন অটিজম অ্যান্ড এনডিডি স্কুল, ভোকেশনাল ও থেরাপি সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা রাজু আহমেদ।

বিশ্ব হাসি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সুস্থ বিকাশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে এসব শিশুর প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

আয়োজিত কর্মসূচিতে তিন শতাধিক শিশু অংশ নেয়। শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ঠোঁটকাটা শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাঝে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহাবুব আনাম, এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান এবং স্মাইল ট্রেনের বাংলাদেশ ও নেপাল কার্যালয়ের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এ বি এম মোবাশ্বের হোসেন।

চাইল্ড হেলথ অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ডা. বিজয় কৃষ্ণ দাস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

দিনব্যাপী আয়োজনে শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, চিত্রাঙ্কন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব হাসি দিবস উদযাপন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি তাদের অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার সামাজিক অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন