EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বঙ্গোপসাগরের ২৬ ব্লকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৫ এএম

বঙ্গোপসাগরের ২৬ ব্লকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বঙ্গোপসাগরের অফশোর (গভীর ও অগভীর সমুদ্র) জ্বালানি সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে ২৬টি ব্লকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। লন্ডনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড এনার্জি সামিট’-এর স্ট্র্যাটেজিক স্টেজের মিনিস্টেরিয়াল সেশনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই আহ্বান জানান।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সামিটের ওই সেশনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা, বঙ্গোপসাগরের অফশোর সম্পদের অমিত সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগের নানা সুযোগ-সুবিধা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘‘দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির কারণে বাংলাদেশে জ্বালানির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এই চাহিদা মেটাতে দেশীয় গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান এবং উৎপাদন বাড়াতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।’’ এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোকে চলমান ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬’-এ অংশ নেওয়ার জোরালো আহ্বান জানান।

এই বিডিং রাউন্ডের আওতায় বঙ্গোপসাগরের ১১টি অগভীর ও ১৫টি গভীর সমুদ্র ব্লকসহ মোট ২৬টি ব্লক আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

একই সম্মেলনে বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ তুলে ধরেন ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। তিনি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব ও সহায়ক নীতির কথা উল্লেখ করেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

উপস্থাপনায় বঙ্গোপসাগরের অনাবিষ্কৃত অফশোর জ্বালানি সম্পদের সম্ভাবনার পাশাপাশি আধুনিক সিসমিক ডেটা বা ভূকম্পন তথ্যের সহজলভ্যতার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। একই সাথে ‘অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি) ২০২৬’-এর বিভিন্ন আকর্ষণীয় বাণিজ্যিক শর্তাবলী উপস্থাপন করা হয়, যা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক ও প্রতিযোগিতামূলক।

অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বহুজাতিক জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক ও সিসমিক ডেটা পর্যালোচনা করার আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেই সঙ্গে চলমান অফশোর বিডিং রাউন্ডে অংশ নিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশ সরকার ও পেট্রোবাংলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন