ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১
ডেইলি সান রিপোর্ট,
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত
ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও-রংপুর মহাসড়কে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় হানিফ ফিলিং স্টেশনের পূর্ব পাশে মাদকবিরোধী অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে এক অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ননী গোপাল বিশ্বাস (৩৫) নামে দিনাজপুর পৌরসভার মিশন রোড জুলুম সাগর এলাকার বাসিন্দা সুশীল চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে। বর্তমানে তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের বাগেরহাট মন্দিরপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও মামলার বাদী হারুন আর রশিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৬টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা থেকে রাণীশংকৈলগামী আলম এন্টারপ্রাইজের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাসের ‘এ-৪’ সিটে বসা ননী গোপাল বিশ্বাসকে তল্লাশি করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্য অনুসারে বাসের মাঝামাঝি নিচের লকারে থাকা টার্কিশ ব্লু রঙের একটি ট্রলি ব্যাগে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে ব্যাগটির হাতলের নিচে থাকা বিশেষ চেম্বার থেকে ৪ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এর মধ্যে কমলা রঙের ৪ হাজার ৯২০ পিস এবং সবুজ রঙের ৫০ পিস ইয়াবা ছিল। উদ্ধার করা ইয়াবার মোট ওজন ৪৯৭ গ্রাম ইয়াবাগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যেই ট্রলি ব্যাগে সংরক্ষিত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
অভিযানকালে ইয়াবার পাশাপাশি ট্রলি ব্যাগ, কিছু পোশাক, বাসের টিকিট ও টোকেনের অংশ জব্দ করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে জব্দ তালিকা তৈরি করে সাক্ষী ও আসামির স্বাক্ষর নেওয়া হয়। রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য দুই পিস ইয়াবার নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ননী গোপাল বিশ্বাস ভ্রমণের সময় এক টিকিটে দুটি সিট কিনেছিলেন। তার স্থায়ী ঠিকানায় নিয়মিত থাকেন না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সহকারী পরিচালক হারুন আর রশিদ জানান, এ ঘটনায় ননী গোপাল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(গ) ধারায় ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করা হয়। বিকালে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলাটির তদন্ত করবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। অভিযানে সহকারী পরিচালক হারুন আর রশিদের সঙ্গে সহকারী উপপরিদর্শক আব্দুল হালিম, সহকারী উপপরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন এবং সিপাই রনি ইসলাম, আতাউর রহমান, সজিব আহম্মেদ ও জাহাঙ্গীর হাসান ইসা অংশ নেন।