‘‘গাজীপুর ভ্রমণের জন্য চমৎকার জেলা’’
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম
ছবি: গাজীপুরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ির নিকটে অবস্থিত ভাওয়াল রাজার শ্মশান ঘাট। সংগৃহীত
ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের গাজীপুরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। গাজীপুরে গড়ে ওঠা রির্সোট শিল্প, নীরব প্রকৃতি ও পর্যটনের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে গাজীপুরকে চমৎকার জেলা হিসেবে গড়ে তোলার কথা জানান তিনি।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভায় এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজীপুর জেলায় পর্যটনের সম্ভাবনা তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক বলেন, এখানে বাংলাদেশের সকল জেলা মিলিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রিসোর্ট রয়েছে। এখানে সরকারি- বেসরকারি মিলিয়ে ২৩৮টা রিসোর্ট রয়েছে। যারা ভ্রমণ করেন, কোলাহল থেকে দূরে নীরবে-নিভৃতে থাকতে চায়, তাদের নিরাপত্তা দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, এখানে শিল্পের পাশাপাশি সবুজের সমারোহে, নিরিবিলিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর চমৎকার সুযোগ রয়েছে। আমরা মনে করি, এখানে এই পর্যটন শিল্পটি আরও সুন্দরভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ আছে। ঢাকার পাশেই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। ফলে সময় ও শ্রম উভয়ই সাশ্রয় করে মানুষ এখানে বেড়াতে আসতে পারবেন।
মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান সরকার পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আমরা রিসোর্ট
মালিকদের সাথেও কথা বলছি। গাজীপুরে পর্যটন খাতের উন্নয়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিতে যাচ্ছি।
গাজীপুরে পর্যটন শিল্পকে সার্বিকভাবে বিকশিত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন জেলা প্রশাসক।
বিশ্ব পর্যটন দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘ডিজিটাল অ্যাজেন্ডা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় পর্যটনের রূপান্তর’। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসক চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করা হয়।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ওই র্যালির পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) তানিয়া তাবাসসুমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) এসি (ডিবি-উত্তর) মো. মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, গাজীপুরের ইনচার্জ মো. মাইন উদ্দিন, ডা. সিয়াম মোর্শেদসহ অনেকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের টুরিস্ট পুলিশ ও শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা।