EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

অর্থনীতি পুনরুত্থানের জন্য চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাংলাদেশের অগ্রাধিকার: জহির উদ্দিন স্বপন

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

অর্থনীতি পুনরুত্থানের জন্য চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাংলাদেশের অগ্রাধিকার: জহির উদ্দিন স্বপন

ছবি: রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে সফররত চীনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়। সংগৃহীত

অ অ

দেশের অর্থনীতির পুনরুত্থান ও বিকাশের জন্য চীনের সঙ্গে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক বন্ধুত্ব জোরদার করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী মর্যাদা) ও সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে সফররত চীনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

সফররত চীনা প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ইউনান প্রাদেশিক কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য কমরেড ঝাও জুনমিন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ‍্যানী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু, সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের যে পথচলা শুরু হয়েছিল, পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে তা আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম বড় চালিকাশক্তি চীনের উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের তরুণ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতির পুনরুত্থান তরান্বিত করা সম্ভব।’

বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, চীন থেকে প্রতি বছর ২২ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য আমদানির বিপরীতে বাংলাদেশে থেকে রপ্তানির পরিমাণ মাত্র ১ বিলিয়ন ডলারের নিচে। এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনে চীনা সরকার বাংলাদেশি পণ্যে প্রায় শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরে বিনামূল্যে একটি প্রদর্শন কেন্দ্র (ডিসপ্লে সেন্টার) ও ২ হাজার বর্গ কিলোমিটার সুবিধার স্টোরেজ বরাদ্দ দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কুনমিং থেকে মিয়ানমার হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ও সড়ক যোগাযোগের নতুন অর্থনৈতিক করিডোর উন্মোচিত হলে তা বাংলাদেশ ও চীন—উভয় দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের মেয়াদ শেষে বিদায় নিতে যাওয়া রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের কূটনৈতিক অবদানের প্রশংসা করে তিনি বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে চীনা প্রতিনিধি দলের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন