EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে হবে: শিক্ষার্থীদের এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম

লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে হবে: শিক্ষার্থীদের এলজিআরডি মন্ত্রী
অ অ

শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন সৃজনশীল ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। আগামী ১০, ১৫ বা ২০ বছর পর তাঁরাই দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করবেন। তাই এখন থেকেই তাদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

তিনি বলেন, রাজনীতি, সমাজনীতি বা অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখলেও লেখাপড়াকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বিত বিকাশের মাধ্যমেই যোগ্য নাগরিক ও নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব।

মন্ত্রী বলেন, বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, মত প্রকাশ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে শুধু বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াই যথেষ্ট নয়। সামগ্রিক জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সৃজনশীল ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হতে হবে।

নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, প্রায় ৬০ বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। 

হলের প্রতিনিধিত্ব করে টানা তিন বছর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ছাত্রসমাজের একটি বিশেষ শক্তি হলো অন্যায় ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কথা বলার সক্ষমতা। বাংলাদেশের ইতিহাসেও বিভিন্ন সময়ে ছাত্রসমাজ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে। 

এই শক্তি ও দায়িত্ববোধ ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, একটি দেশের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি মানসম্মত শিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়। জ্ঞান, গবেষণা ও শিক্ষার শক্তির ওপর ভিত্তি করেই একটি দেশ দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রাখতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

ডিবেট ফেস্টিভ্যালের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ডিবেটিং সোসাইটিকে শুধু বিতর্ক আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও নেতৃত্বে সমৃদ্ধ নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠবে। ভবিষ্যতে তারা বাংলাদেশকে বিশ্বপরিসরে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিতে ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস) ও অ্যাকশন-এইডের উদ্যোগে আয়োজিত এই জাতীয় বিতর্ক উৎসবে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪টি দল অংশ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন