EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে আরও প্রস্তুতির সময় চায় বাংলাদেশ

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ এএম

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে আরও প্রস্তুতির সময় চায় বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশকে আরও প্রস্তুতির সময় দেওয়ার দাবি তুলেছে সরকার। অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উত্তরণ-পরবর্তী অর্থনীতিকে আরও সক্ষম ও অভিঘাতসহনশীল করে তোলা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক বৈঠকে এ কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ঢাকায় পাওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের এ অনুরোধ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিবেচনাধীন থাকায় এলডিসি গ্রুপের অব্যাহত সমর্থন কামনা করেন হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণে যাওয়া দেশগুলোর সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশল কার্যকর করতে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।

দোহা কর্মসূচির মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনাকে সামনে রেখে তিনি এলডিসিগুলোর জন্য ছয়টি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন।

এর মধ্যে রয়েছে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) কমে যাওয়ার প্রবণতা রোধ, সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানো, বাজারে প্রবেশাধিকার উন্নত করা এবং অভিযোজন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পূর্বানুমেয় জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা।

অবৈধ আর্থিক প্রবাহ মোকাবিলা ও পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিল্পায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, ঋণের চাপ, ওডিএ কমে যাওয়া, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং জলবায়ু সংকট আমাদের সক্ষমতার পরীক্ষা নিচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এলডিসিগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখনো ৭ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার নিচে রয়েছে। ২০২৬ সালে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ‘থ্রি-আর’ কৌশল—রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন—টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে গ্রহণ করা হয়েছে।

এলডিসি গ্রুপের চেয়ার হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ায় নেপালকে ধন্যবাদ জানান তিনি। সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর নেপালের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি পরবর্তী চেয়ার হিসেবে গাম্বিয়াকে স্বাগত জানান হুমায়ুন কবির।

আরও পড়ুন