EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

অপ্রতিমকে যেভাবে হত্যা করা হয়, যা জানাল পুলিশ

ডেইলি সান রিপোর্ট, কুমিল্লা

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

অপ্রতিমকে যেভাবে হত্যা করা হয়, যা জানাল পুলিশ

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ আনিসুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও মূল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি করেছে জেলা পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, অপ্রতিমের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এর পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো বিরোধ ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

পুলিশ জানায়, অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম তুহিনের বয়স ১৯ বছর। সে কুমিল্লা সিটি কলেজের শিক্ষার্থী ছিল, তবে বর্তমানে ড্রপআউট। অন্যদের মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও কামরুল ময়নামতি কারিগরি স্কুলের নবম শ্রেণির এবং সিয়াম আব্দুল খান ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশের ভাষ্য, বয়সে বড় ও বখাটে স্বভাবের এসব তরুণের সঙ্গে অপ্রতিমের এক ধরনের ‘অসম বন্ধুত্ব’ গড়ে উঠেছিল।

পুলিশ সুপার জানান, প্রধান আসামি তুহিনের বাড়ি থেকে অপ্রতিমের আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।

তবে শুধু আইফোন ছিনিয়ে নেওয়াই হত্যাকাণ্ডের একমাত্র কারণ কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকটক বা অন্য কোনো বিরোধের কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা মামলা ছিল না বলেও জানান পুলিশ সুপার।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া কিশোর ও তরুণদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাদের একটি অংশ কিশোর অপরাধচক্রের (গ্যাং) সঙ্গে যুক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের বয়স অপ্রতিমের চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ বছর বেশি।

অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। গত শুক্রবার বিকেলে কোটবাড়ির নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন