লক্ষ্মীপুরে নতুন দুই স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণা আবুল খায়ের ভুঁইয়ার
ডেইলি সান রিপোর্ট, লক্ষ্মীপুর
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
ছবি: লক্ষ্মীপুর জেলা স্টেডিয়ামে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া
লক্ষ্মীপুরে ফুটবল ও ক্রিকেটের জন্য দুটি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া। পাশাপাশি ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণেরও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুর জেলা স্টেডিয়ামে তাঁর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবুল খায়ের ভূঁইয়া একথা বলেন। জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) ও ক্লাব সমিতি, লক্ষ্মীপুর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, ‘দুটি স্টেডিয়াম করা হবে- একটি ফুটবল ও একটি ক্রিকেটের জন্য। এছাড়া ইনডোর স্টেডিয়াম করারও ইচ্ছা আছে। খেলাধুলার মান অনেক বেশি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা সম্ভব। খেলাধুলার প্রসার ঘটলে তরুণরা ইতিবাচক কাজে যুক্ত হবে। খেলাধুলার মাধ্যমে দেশ ও জাতি বিশ্বের কাছে অনন্য হয়ে উঠতে পারে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি ও লক্ষ্মীপুর জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ তৈরি করে দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। এ জন্য ইউনিয়নগুলোতে জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়ার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
হ্যাপি চৌধুরী বলেন, দুটি স্টেডিয়াম বা মাঠ করার ব্যবস্থা করা খুব কঠিন বিষয় নয়। জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
লক্ষ্মীপুরে ক্রীড়ার অবকাঠামো উন্নয়ন, মাঠ বৃদ্ধি এবং তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান আয়োজকেরা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অ্যাডভোকেট মহাসিন কবির স্বপন। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, লক্ষ্মীপুর কলেজের সাবেক শিক্ষক ননী গোপাল ঘোষ, শিক্ষক আবুল মোবারক ভূঁইয়াসহ জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ও বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের নেতারা।