EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

সারা দেশের সব সেচ পাম্প সোলারে নেওয়ার সিদ্ধান্ত

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম

সারা দেশের সব সেচ পাম্প সোলারে নেওয়ার সিদ্ধান্ত

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

দেশের সব ডিপ ও শ্যালো সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎচালিত পাম্পে রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) যশোর সদর উপজেলার নদীয়ার মোড়, বর্মনপাড়া ও চাঁচড়া এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। যশোর সদর উপজেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস যৌথভাবে এ বৈঠকের আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস ও কয়লা আমদানি করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বেড়েছে। আগে প্রতি ইউনিট গ্যাস ৮ থেকে ৯ ডলারে কেনা গেলেও এখন তা ২৮ ডলারে উঠেছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। রোদ, বাতাস ও পানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেচ মৌসুমে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি ও বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে কৃষকের সেচব্যবস্থা ব্যাহত হয়। এতে কৃষকের উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। তাই বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সেচ পাম্পগুলো পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎচালিত পাম্পে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি বা ডিজেলের দাম বেশি থাকলেও কৃষক তুলনামূলক কম খরচে জমিতে সেচ দিতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, যশোর সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নে ইতোমধ্যে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সেখানে সৌরশক্তিচালিত একটি পাম্প দিয়ে ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রথম ধাপে বরেন্দ্র প্রকল্পসহ সারা দেশে প্রায় ৩৬ হাজার সেচ পাম্প চিহ্নিত করে সোলারে রূপান্তরের কাজ শুরু হচ্ছে। এ জন্য সরকারি বাজেট বা বৈদেশিক সহায়তা থেকে অর্থের সংস্থান করা হবে।

বৈঠকে যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি ও স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এলাকার সাধারণ মানুষ বৈঠকে অংশ নেন।

আরও পড়ুন