EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীর ২ মহালে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ

ডেইলি সান রিপোর্ট, সুনামগঞ্জ

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০১ পিএম

সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীর ২ মহালে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ

ছবিঃ সংগৃহীত

অ অ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর যাদুকাটা-১ ও  যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে সব ধরনের বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ করেছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন। এর ব্যতিক্রম হলে ঘটলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা প্রশাসক ও জেলা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ২২৪০/২০২৬ ও ২২৪১/ ২০২৬ বিপরীতে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মহামান্য আপিল বিভাগের আদেশের পরিপ্রক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। পাশাপাশি, এই আদেশ অমান্য করে কেউ বালু উত্তোলনের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এছাড়াও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও অবগতির জন্য বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার, সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়ন বিজিবি অধিনায়ক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৪৩২ বাংলা সনের জন্য এ দুটি বালু মহাল ইজারা দিতে বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০৮ কোটি টাকা দর পাওয়া গেলেও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে ইজারাদারকে দখল দিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। প্রায় পাঁচমাস পর দখল পায় ইজারাদার। ১৪৩৩ বাংলা সনের জন্য আবারও ইজারা দেয়ার উদ্যোগ নেয়ার পর আদালতের আদেশে সেটি সম্ভব হয়নি। তবে আদালতের আদেশে চলতি বছরের ১৩ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মহাল গুলো থেকে টোল আদায় করে পূর্বের ইজারাদার।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, দুটি বালু মহালে জেলার তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ নদী এবং নদীটিতে বালু ও পাথর উত্তোলন কে কেন্দ্র করে ৫০ হাজারের বেশি শ্রমিক দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভাবে উত্তোলন কার্যক্রম চলে আসছিলো।

এছাড়াও এর সাথে জড়িত হাজার হাজার ব্যবসায়ী জড়িত রয়েছেন। বালু মহাল চালু থাকলে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের কোনো ক্ষতির শিকার হতে হয় না। বন্ধ হলে শ্রমিক ও ব্যবসায়ী ও সরকার ক্ষতির শিকার হবেন। নতুন এ নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট দুই বালুমহালে বালু উত্তোলন কার্যক্রম আপাতত বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন