বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতা
ফ্যাসিষ্টরা ১৫ বছরে সংবাদপত্রের গলা টিপে ধরেছিলো: জোনায়েদ সাকি
বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের নতুন ভবন উদ্ভোধন
ডেইলি সান রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ পিএম
বিগত ১৫ বছরে ফ্যাসিস্টরা সংবাদপত্রের গলা টিপে ধরেছিল বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, তারা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে সব রকমের চেষ্টা ও ফন্দিফিকির করেছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে সাংবাদিকেরা মন খুলে লিখতে পারছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর সদরে বসুন্ধরা গ্রুপের দেওয়া জমিতে নির্মিত বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, বিগত ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার টানা চার মেয়াদে ক্ষমতায় ছিল এবং এই ১৫ বছরে মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ ৪৪ ধাপ পিছিয়েছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার বিষয়টি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার ও গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করতে আইনি, প্রশাসনিক ও পরোক্ষ নানা চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে তিনি জানান।
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রকাশক ও বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ১৯৯৫ সালে তৎকালীন হাতে গোনা কয়েকজন সংবাদকর্মী তাঁর মাধ্যমে প্রেসক্লাবের জন্য জায়গা চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তিনি জানান, সেই আবেদন চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গেই তা মঞ্জুর হয় এবং ৬ শতক জায়গা কেনার জন্য সহায়তা করা হয়। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর পর হলেও সেখানে একটি ভবন হয়েছে এবং সংবাদকর্মীদের নতুন একটি ঠিকানা হলো।
বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামিম শিবলীর সঞ্চালনায় ও মোল্লা মোহাম্মদ নাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি এম এ খালেক (পিএসসি), বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি একেএম মুছা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা, সাবেক ভিপি ও জেলা বিএনপির সদস্য নাজমুল হক, ভিপি আমিরুল ইসলাম সাজ্জাদ এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দুধ মিয়া মাস্টার।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও সাংবাদিকতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন মোল্লা।