EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

শাহজালালে দর্শনার্থীকে টেনে নেওয়ার ভিডিও নিয়ে আনসারের ব্যাখ্যা

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম

শাহজালালে দর্শনার্থীকে টেনে নেওয়ার ভিডিও নিয়ে আনসারের ব্যাখ্যা
অ অ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক দর্শনার্থীকে টেনে-হিঁচড়ে টার্মিনালের ভেতরে নেওয়ার ভিডিও নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। বাহিনীটি বলছে, নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান করা ওই ব্যক্তিকে অ্যাভসেকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী আগমনী গেটের অভ্যন্তরে নেওয়া হয়েছিল।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের ক্যানোপি-০২ এলাকায় এক যাত্রীর স্বজন আগমনী গেটের পাশের নিষিদ্ধ স্থানে অবস্থান করছিলেন। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ওই এলাকায় সাধারণ যাত্রী বা স্বজনদের অবস্থান নিষিদ্ধ। এ কারণে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা তাকে সেখান থেকে সরে যেতে একাধিকবার অনুরোধ ও নির্দেশনা দেতবে ওই ব্যক্তি নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান করতে থাকেন এবং আগমনী গেটের ভেতরে বারবার উঁকিঝুঁকি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে আনসার সদস্যরা তাকে সরে যেতে বললে তিনি সদস্যদের সঙ্গে ঠাট্টা-বিদ্রুপ, অশোভন মন্তব্য, গালাগাল ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়।

বিষয়টি অ্যাভসেকের এক কর্পোরালের নজরে এলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান না করার নির্দেশ দেন। এ সময় ওই ব্যক্তির সঙ্গে কর্পোরালের বাকবিতণ্ডা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে অ্যাভসেকের ওই কর্পোরাল কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগমনী গেটের অভ্যন্তরে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। আনসার বাহিনীর ভাষ্য, সেই নির্দেশনা অনুযায়ীই সদস্যরা তাকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যান।

এরপর ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী বলছে, বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনায় নিরাপত্তা বিধি ও প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখা নিরাপত্তাকর্মীদের নিয়মিত দায়িত্ব। নিষিদ্ধ এলাকায় কেউ অবস্থান করলে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

বাহিনীটির দাবি, এ ঘটনায় আনসার সদস্যরা নিজেদের উদ্যোগে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি। দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাভসেক কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংক্ষিপ্ত ভিডিও ও একপাক্ষিক ক্যাপশনের মাধ্যমে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কার্যক্রম বিচ্ছিন্ন ভিডিও বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন না করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

আরও পড়ুন