শিক্ষকদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে ‘সেরা শিক্ষক’ নির্বাচন করে পদক ও পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে ১৪টি মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে যোগ্য শিক্ষকদের নির্বাচন করে পদক ও পুরস্কার দেওয়ার পাশাপাশি তাদের পাঠদান ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করেছে মাউশি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার মানোন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকদের ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পদক ও পুরস্কারের ব্যবস্থা এবং তাদের পাঠদান ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।
যেসব মানদণ্ডে নির্বাচন
সেরা শিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, নিষ্ঠা এবং শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারে দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এ ছাড়া মূল্যায়ন ও প্রশ্নপত্র প্রণয়নে পারদর্শিতা, উত্তরপত্র মূল্যায়নের দক্ষতা এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সহকর্মী ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার মনোভাবও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
শিক্ষকের চারিত্রিক দৃঢ়তা, ব্যক্তিত্ব, সততা ও উদ্যম, পোশাক-পরিচ্ছদ, চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সক্ষমতা এবং শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতাও মূল্যায়নের আওতায় রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে অবদান, পেশাগত বা গবেষণামূলক সৃজনশীল প্রকাশনা এবং গুণগত শিক্ষার ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল উদ্যোগ ও উত্তম চর্চার নির্দেশনার ভূমিকাও বিবেচনা করা হবে।
এ ছাড়া কমিটির কাজে দক্ষতা ও আর্থিক শৃঙ্খলা, কার্যকর শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনায় পারদর্শিতা এবং সবুজ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস ও স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান পুনঃসজ্জিতকরণের বিষয়গুলোও সেরা শিক্ষক নির্বাচনের মানদণ্ড হিসেবে রাখা হয়েছে।
মাউশি জানিয়েছে, এসব মানদণ্ডের আলোকে যোগ্য শিক্ষকদের চিহ্নিত করে তাদের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি আরও বিকাশে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পুরো বিজ্ঞপ্তি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।