EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩২ এএম

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনসংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রায় দেবেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

আদালতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছর বয়সী আছিয়া। অভিযোগ রয়েছে, তার বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন।

পরে গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ চার আসামিকেই গ্রেপ্তার করে।

২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয় এবং ২৭ এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।

গত বছরের ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ করা হয়। পরে ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

এরপর ১৭ মে রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

তবে মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেন আদালত। তারা হলেন—নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীব শেখের ছোট ভাই এবং তাদের মা জাহেদা বেগম।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠাতে হয়। এ ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ মে এ মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য নথি বিজি প্রেসে পাঠানো হয়।

পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন মামলাটি আবার হাইকোর্টে আসে এবং পরে শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় ওঠে।

আজকের রায়ে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে, নাকি তার সাজায় কোনো পরিবর্তন আসবে—সেদিকেই তাকিয়ে আছে সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন