EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

শাহ আমানতে এক ফ্লাইটে ১,৮০২ কার্টন সিগারেট ও ১৩ আইফোন জব্দ

ডেইলি সান রিপোর্ট, চট্টগ্রাম

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০১:২১ পিএম

শাহ আমানতে এক ফ্লাইটে ১,৮০২ কার্টন সিগারেট ও ১৩ আইফোন জব্দ
অ অ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা এক ফ্লাইটে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও আইফোন জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। একসঙ্গে ১ হাজার ৮০২ কার্টন বিদেশি সিগারেট ও ১৩টি আইফোন জব্দের ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবন্দরটিতে সিগারেটের সবচেয়ে বড় চালান আটকের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সিআইআইডির মহাপরিচালকের কাছে আসা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটে অভিযান চালানো হয়। সকাল ৮টা ১৮ মিনিটে ফ্লাইটটি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর যাত্রী ও তাঁদের ব্যাগেজে বিশেষ নজরদারি শুরু করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা।

অভিযানে যাত্রী এমডি মইনুল আবদিনের কাছ থেকে ২৪৯ কার্টন প্লাটিনাম ও ১৫ কার্টন মন্ড ব্র্যান্ডের সিগারেটসহ চারটি আইফোন জব্দ করা হয়। একই ফ্লাইটের যাত্রী আবদুল মান্নানের কাছ থেকে ২৩৩ কার্টন প্লাটিনাম ও ১৩ কার্টন মন্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট এবং চারটি আইফোন পাওয়া যায়।

অন্য যাত্রী নুরুল আলম রিয়াদের কাছ থেকে ২৬৫ কার্টন প্লাটিনাম ও সাত কার্টন ইজি ব্র্যান্ডের সিগারেট এবং পাঁচটি আইফোন জব্দ করা হয়।

তবে অভিযানের সবচেয়ে বড় চালানটি পাওয়া যায় বিমানবন্দরের ২ নম্বর ব্যাগেজ বেল্টে। সেখানে একই ফ্লাইটের মালিকানাবিহীন ব্যাগেজ থেকে আরও ১ হাজার ২০ কার্টন প্লাটিনাম ব্র্যান্ডের সিগারেট জব্দ করা হয়।

সব মিলিয়ে এক ফ্লাইট থেকে জব্দ করা হয় ১ হাজার ৮০২ কার্টন বিদেশি সিগারেট ও ১৩টি আইফোন।

কাস্টমস সূত্র জানায়, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭৪ লাখ ৮ হাজার টাকা। এর বিপরীতে ৬২১ শতাংশ টিটিআই অনুযায়ী প্রযোজ্য শুল্ক-কর প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ ৩ হাজার ৬৮০ টাকা। অন্যদিকে ১৩টি আইফোনের আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং প্রযোজ্য শুল্ক-কর প্রায় ৭ লাখ ২৩ হাজার ৭১০ টাকা।

সব মিলিয়ে জব্দ পণ্যের শুল্ক-করসহ মূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫৩ লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ টাকা।

একই ফ্লাইটে একাধিক যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সিগারেট ও আইফোন এবং মালিকানাবিহীন ব্যাগেজে আরও ১ হাজারের বেশি কার্টন সিগারেট পাওয়ার ঘটনায় চোরাচালানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিআইআইডি জানিয়েছে, চোরাচালান প্রতিরোধ, সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা এবং বিমানবন্দর ব্যবহার করে অবৈধ পণ্য আনার অপচেষ্টা ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন