গাজীপুরে ৫৮ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ
ডেইলি সান রিপোর্ট, গাজীপুর
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় চত্বরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা খানম।
জলবায়ু স্থিতিশীল রেখে প্রাকৃতিক পরিবেশ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারের নেওয়া পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দেশ ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের (গাসিক) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা খানম।
রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে গাসিকের প্রধান কার্যালয় চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষের চারা বিতরণকালে এ কথা বলেন তিনি।
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানে জাতীয় এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে চলতি বছর গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ৫৮ হাজার ৩৭০টি গাছের চারা লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে লক্ষ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক ও বিভিন্ন এলাকার সুধীজনদের মাঝে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০টি চারা বিতরণ করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সহযোগিতায় গাসিকের ২০২৬ সালের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার আওতায় এই কর্মসূচি চলছে। এর আওতায় নগর ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, পার্ক ও রাস্তার আইল্যান্ডসহ নগরের সব উন্মুক্ত স্থানে চারা লাগানো হচ্ছে। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২২ হাজার ৭০০টি চারা।
ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন, নগরায়ণ ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে পরিবেশের বিরূপ প্রভাব কমাতে, সবুজায়ন বাড়াতে ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।
তানজিলা খানম বলেন, ‘চারা বিতরণ করলেই দায়িত্ব শেষ হবে না; এসব চারার যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা চারা নিয়ে রোপণ করেছেন, তাঁদের প্রতি নিয়মিত পানি দেওয়া ও পরিচর্যার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন জানান, কর্মসূচির বড় অংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি চারাও পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে রোপণ ও পরিচর্যা নিশ্চিত হলে গাজীপুরের নগর পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গাসিকের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল বারেক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, সচিব ফিরোজ আল মামুন ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিশায় রিছিল।