EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বিশেষ লেখা

সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে সরকারের বলিষ্ঠ উদ্যোগ

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১০ এএম

সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে সরকারের বলিষ্ঠ উদ্যোগ
অ অ

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ। সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে সরকার অবশেষে আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ‘সাইবার সুরক্ষা আইন’ আবার সংশোধন করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন ধারা যুক্ত করে আইনটি আরও কঠোর করা হচ্ছে; একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে শাস্তিও। গুজব, অপতথ্য, হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানিকর তথ্য-এ চারটি শব্দকে অপরাধের সংজ্ঞায় এনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে সংশোধিত আইনে। এ ছাড়া আইন বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য সংস্থাকে যুক্ত করা হচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে সংশোধিত আইনটি পাস হতে পারে।

সংশোধিত আইনে নতুন একটি ধারা (২৬/ক) যুক্ত করে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সাইবার পরিসরে গুজব ও অপতথ্য প্রকাশ বা প্রচার করলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। কেউ এ ধরনের অপরাধ করলে তিনি অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করবেন বা অনধিক ৪০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

সংশোধিত আইনের খসড়ায় গুজবের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়, গুজব অর্থ এমন কোনো অসমর্থিত বা অযাচাইকৃত তথ্য, সংবাদ বা দাবি, যা জনমনে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করে অথবা অস্থিরতা তৈরি করার ঝুঁকি থাকে।

অপতথ্যের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, এমন কোনো মিথ্যা, বিকৃত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য যা ব্যক্তি, জনসাধারণ, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত, প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ বা প্রচার করা হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও, অডিও, বিভ্রান্তিকর ছবি দিয়ে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হচ্ছে।

সংশোধিত আইনের ২৫ নম্বর ধারায় নতুন দুটি শব্দ যোগ করা হচ্ছে। মানহানি ও হেয়প্রতিপন্ন-সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড নিয়ে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কারও মানহানি বা হেয়প্রতিপন্ন করতে কোনো তথ্য অডিও, ভিডিও চিত্র, অডিও-ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য উপায়ে ধারণ বা সম্পাদিত, এআই দিয়ে নির্মিত কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তবে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ অপরাধে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে বা অনধিক ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কোনো নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সিদের বিরুদ্ধে মানহানি বা হেয়প্রতিপন্ন করে কিছু প্রচার করলে অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৪০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। মানহানির ব্যাখ্যায় দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার কথা বলা হয়েছে।

এই ধারা যুক্ত হলে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তা হবে একটি কার্যকর পদক্ষেপ। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রী অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।

সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার এখন শুধু ভুক্তভোগী ব্যক্তির জন্য নয়, গোটা সমাজ এবং রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণহীন সোশ্যাল মিডিয়া যেকোনো সমাজের জন্য ক্ষতিকর। সোশ্যাল মিডিয়া এখন পারস্পরিক যোগাযোগের চেয়ে অন্যকে নোংরা, কুৎসিত এবং কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করে ঘায়েল করার মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। এখানে একশ্রেণির বিকৃত মানসিকতার মানুষের প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন মানুষের চরিত্রহরণ ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদাবাজি করা। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে গোটা সমাজে চলছে এক ধরনের নৈরাজ্য ও অরাজকতা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর ব্যবহার প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরনের আইন প্রণয়ন করেছে। এসব আইনের মাধ্যমে ওইসব দেশ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ার স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে কোনো কার্যকর আইন নেই। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে গত ১০ এপ্রিল সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ পাস করে। কিন্তু এই আইনটি ছিল অসম্পূর্ণ। সাইবার বুলিং, সোশ্যাল মিডিয়ার মিথ্যাচার প্রতিরোধে এই আইন কেবল অপর্যাপ্তই নয়, অসহায়ও বটে। ফলে সাইবার অপরাধীরা আরও দুর্বৃত্ত হয়ে উঠছে। তারা এখন বাধাহীনভাবে মানুষের চরিত্রহননের খেলায় মেতে উঠেছে। বাস্তবতায় সরকারের নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সাহসী পদক্ষেপ। এই আইন সাইবার অপরাধীদের কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আনবে বলে আশা করা যায়।

সোশ্যাল মিডিয়া এখন সমান্তরাল সরকার হয়ে গেছে। সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে এরা প্রভাব বিস্তার করছে। এদের আতঙ্কে অস্থির রাজনীতিবিদ, আমলা, পুলিশ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী সবাই। এরা গুজব এবং অপতথ্য প্রচার করে সরকারকে বিব্রত করছে। এদের অপপ্রচারের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।  সংঘবদ্ধ একটি চক্র বিদেশে বসে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং উদ্যোক্তাদের টার্গেট করছে। তাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে। টাকা না দিলেই শুরু হচ্ছে একযোগে আক্রমণ। তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক অসত্য, ভিত্তিহীন বিভিন্ন কনটেন্ট প্রচার করে তাদের কেবল মানসিকভাবে নয়, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। একপর্যায়ে এসব ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছে। অনেক ব্যবসায়ী আতঙ্কিত হয়ে, নিজেদের মানসম্মান রক্ষায় এসব সাইবার চাঁদাবাজদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করছে। আর যারা সৎ এবং সাহসী তারা এদের অন?্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করছে না। কিন্তু এর কঠিন মূল্য তাদের দিতে হচ্ছে। দেশে আইন আদালত থাকলেও সাইবার অপরাধীরা যেন আইনের ঊর্ধ্বে। ভুক্তভোগীরা এসব সাইবার অপরাধের শিকার হয়ে আইনি প্রতিকার পান না। থানা, পুলিশ কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো শাখাই তাদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করতে চায় না। তারা ভয় পান। সাইবার অপরাধীদের আক্রোশের ভয়ে তারা মামলা নিতে বা তদন্ত করতে দ্বিধাবোধ করেন। অপতথ্য, গুজব, সাইবার বুলিং, এর বিরুদ্ধে আদালত এবং বিচারকরাও যেন অসহায়। সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে বিচারকরা মামলা নিতে ভয় পান। সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস পায় না। এরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, সরকারপ্রধান এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অরুচিকর, জঘন্য কনটেন্ট প্রচারেও তারা এখন ভয় পায় না। এরা এখন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিরাট হুমকি।

সোশ্যাল মিডিয়া এখন মানুষের সামাজিক নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় শত্রু। নীরব ঘাতক। সাইবার বুলিংয়ের কারণে বহু মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। অনেকের জীবন তছনছ হয়ে যাচ্ছে। প্রতারিত হচ্ছেন বহু মানুষ। অথচ এসব প্রতিরোধে নেই কোনো আইন। ফলে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো এখন জন আতঙ্কের অন্যতম প্রধান কারণ। নিয়ন্ত্রনহীন সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে কিছু মানুষ ক্রমশ হিংস্র হয়ে উঠছে। আগে মানুষ প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সন্ত্রাসী ভাড়া করত। মাস্তান দিয়ে অন্যকে ভয় দেখাত। পেশীশক্তি ছিল ভিন্নমত দমনের প্রধান হাতিয়ার। এখন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর বদলে সাইবার সন্ত্রাসীদের কদর বেশি। এখন প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কেউ সন্ত্রাসী বা মাস্তান ভাড়া করে না, ভাড়া করে সাইবার সন্ত্রাসী। এখন নারীকে হেনস্তা করতে অ্যাসিড নিক্ষেপ করা হয় না, তাঁকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করা হয় ফেসবুকে কিংবা ইউটিউবে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী শতকরা ৯০ ভাগ নারীই সাইবার বুলিংয়ের শিকার। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের জুন থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সময়ে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে ১৩২ জন নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। নানারকম অশ্লীল এবং কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ সহ্য না করতে পেরে তাঁরা আত্মহত্যা করেন। কিন্তু যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নারীদের অপমান করেছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এভাবেই চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব এবং মিথ্যাচারের সন্ত্রাস।

শুধু নারীদের হেনস্থা করাই সাইবার অপরাধীদের একমাত্র কাজ না। সাইবার সন্ত্রাসীরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, মাজার, ধর্মীয় জায়গাগুলোও রেহাই পাচ্ছে না- এমনকি মুক্তিযুদ্ধের মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়েও ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ রকম কর্মকাণ্ড মানুষের মধ্যে ভয়, রাগ আর অবিশ্বাস বাড়ায়, যা শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

এই যে বিকৃত ছবি ছড়ানো, মানুষকে টার্গেট করে অপপ্রচার চালানো- এসব কি সত্যিই স্বাধীন মতপ্রকাশের অংশ?

ইউনিভার্সাল ডিক্লারেশন অব হিউম্যান রাইটসের ধারা ১৯-এ বলা হয়েছে, প্রত্যেক মানুষের নিজের মতামত রাখার এবং তা প্রকাশ করার অধিকার আছে (ইউডিএইচআর, ১৯৪৮, অনুচ্ছেদ ১৯)। সহজভাবে বললে, আপনি কী ভাবছেন বা কী বলছেন- সেটা প্রকাশ করা আপনার মৌলিক অধিকার।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়, ইন্টারন্যাশনাল কভেন্যান্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটসের অনুচ্ছেদ ১৯(৩)-এ বলা হয়েছে, এই অধিকার ব্যবহার করতে গেলে কিছু দায়িত্বও আছে। আর প্রয়োজন হলে আইন করে এই অধিকার সীমিত করা যেতে পারে- যদি তা অন্যের সুনাম নষ্ট করে, কারও ক্ষতি করে বা সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে (আইসিসিপিআর, ১৯৬৬)। সহজ করে বললে, মতপ্রকাশের অধিকার আছে, কিন্তু ‘যা খুশি তা-ই বলা’ এর মধ্যে পড়ে না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির নাৎসি বাহিনী মিথ্যা প্রচারণা ছড়িয়ে একটি পুরো জনগোষ্ঠীকে শত্রু হিসেবে দাঁড় করিয়েছিল। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরই আন্তর্জাতিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়- মানুষকে কথা বলার অধিকার দিতে হবে; কিন্তু সেই অধিকার ব্যবহার করে যেন ঘৃণা বা ধ্বংস না ছড়ানো যায়।

আজকের বাস্তবতায়, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে, সেই একই ঝুঁকি নতুনভাবে সামনে এসেছে। পার্থক্য শুধু একটাই- আগে প্রচারণা চালাতে সময় লাগত, এখন কয়েক মিনিটেই তা লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট ২০২২ চালু করেছে। এখানে বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে বাধ্য করা হয়েছে, যেন তারা ভুয়া তথ্য, ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং সামাজিক ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে (ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ২০২২, আর্টস. ৩৪-৩৫)।

শুধু ইউরোপীয় ইউনিয়ন নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ সাইবার স্পেসে বুলিং, মিথ্যাচার এবং বিদ্বেষমূলক প্রচারণা বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ বিচারের বাইরে। তারা এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরেই ছিল। তাই বিভিন্ন দেশের আইন পর্যালোচনা করে সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনীর উদ্যোগ সময়ের দাবি। সরকার যে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার নৈরাজ্য এবং স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চাইছে, এটি জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে। সাইবার জগতে নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে না পারলে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না। এই কারণেই সরকারের এই উদ্যোগ নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

আরও পড়ুন