EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

পটুয়াখালীতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ-ভ্রূণ হত্যার মামলা

ডেইলি সান রিপোর্ট, পটুয়াখালী

প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম

পটুয়াখালীতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ-ভ্রূণ হত্যার মামলা

পটুয়াখালী সদর উপজেলা জামায়াত নেতা শহিদুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

পটুয়াখালী সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও যুব বিভাগের সভাপতি।

গত ২২ জুলাই এক নারী পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে শহিদুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) আদালতের আদেশ থানায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হবে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কয়েক মাস আগে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পর গত ২৪ মার্চ অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম ভুক্তভোগীকে জেলা শহরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে রাজি না হলেও গত ১৮ মে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা বলে তাকে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জোর করে ওষুধ খাওয়ানোর পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর জানতে পারেন, তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এবং পরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ভুক্তভোগীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। মামলার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে তাকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, তাই এ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংগঠনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত শুরু হবে এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন