EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

৬ বছরেও শেষ হয়নি কাজ: শরীয়তপুরে সড়ক ও সেতুর অসমাপ্ত কাজে চরম ভোগান্তি

ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় আটকে আছে ৯ কিলোমিটারের কাজ

ডেইলি সান রিপোর্ট, শরীয়তপুর

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১২ পিএম

৬ বছরেও শেষ হয়নি কাজ: শরীয়তপুরে সড়ক ও সেতুর অসমাপ্ত কাজে চরম ভোগান্তি

শরীয়তপুরে কাজ শেষ না হওয়ায় খানাখন্দে ভরা সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়েই হেলেদুলে চলছে যানবাহন। ছবি: ডেইলি সান

অ অ

প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও ছয় বছরে শেষ হয়নি শরীয়তপুর থেকে পদ্মা সেতু এক্সপ্রেসওয়ের নাওডোবা পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণ ও সেতু নির্মাণের কাজ। গত ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বর্তমানে দুটি প্যাকেজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। প্রায় ৯ কিলোমিটার অংশে কাজই শুরু না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ও খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছেন হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, শরীয়তপুর সদরের কোটাবাড়ায় কীর্তিনাশা নদীর ওপর নতুন সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় যানবাহন পুরোনো সেতু দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে। জাজিরার কাজীরহাটে নির্মাণাধীন সেতু ফেলে রাখা হয়েছে অর্ধেক করে। আর মতিসাগর থেকে নাওডোবা পর্যন্ত চারটি কালভার্ট অসমাপ্ত থাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিত্যদিন দীর্ঘ যানজট ও দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন চালক ও যাত্রীরা।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২৭ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করতে ২০২০ সালে ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্প অনুযায়ী ৩৪ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণের কথা থাকলেও দীর্ঘ ছয় বছরে কেবল ১৮ কিলোমিটার কাজ শেষ হয়েছে। সওজ দাবি করছে, ভূমি অধিগ্রহণ শেষ না হওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি। ২৬০ একর জমির মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৮২ একর জমি হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন।

স্থানীয় বাসচালক ও বাসিন্দারা জানান, পদ্মা সেতু চালুর পর শরীয়তপুর ছাড়াও মাদারীপুর, বরিশাল ও চাঁদপুরের হাজার হাজার মানুষ ঢাকায় যাতায়াতে এই পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু পদ্মা সেতু থেকে নামার পরই শুরু হয় মূল ভোগান্তি। খারাপ সড়কের কারণে প্রতিনিয়ত গাড়ি বিকল হওয়া ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকার অভিযোগ তাদের।

এ বিষয়ে শরীয়তপুর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন জানান, ‘জমি অধিগ্রহণের জটিলতায় কয়েকটি স্থানে কাজ আটকে আছে। তবে জটিলতা দ্রুত নিরসন করে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে এবং ইতোমধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন