ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মালচিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ
৮০ হেক্টর জমিতে চাষে খরচ কম, লাভ বেশি; মৌসুমে ২২-২৫ কোটি টাকার টমেটো উৎপাদনের আশা কৃষি বিভাগের
ডেইলি সান রিপোর্ট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করা গ্রীষ্মকালীন টমেটোর ক্ষেত, যা কৃষকদের মধ্যে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ছবি: ডেইলি সান
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মালচিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ। ব্যাপক চাহিদা থাকায় এবং ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা এই পদ্ধতিতে টমেটো আবাদের দিকে ঝুঁকছেন। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় প্রায় ২৮০০-৩২০০ মেট্রিক টন গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় প্রায় ৮০ হেক্টর জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ হয়েছে। কৃষকরা জানান, এই সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও ঝড়-বৃষ্টিজনিত ক্ষতি থেকে ফসলি জমি সুরক্ষিত থাকে। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৭০-৭৫ হাজার টাকা, আর ফলন পাওয়া যাবে প্রায় ৪ মেট্রিক টন। সব খরচ বাদ দিয়ে বিঘাপ্রতি লাভ হবে ১ লাখ ২৫-৩০ হাজার টাকা।
ব্যাপক চাহিদা ও লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এই আবাদ বাড়ছে বলে জানান কৃষকরা। বর্তমানে হাইব্রিড জাতের বারি-৮ জাতের টমেটোর আবাদ হচ্ছে এই উপজেলায়।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২৮০০-৩২০০ মেট্রিক টন টমেটো উৎপাদিত হবে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২২-২৫ কোটি টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি টমেটো ৮০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আবাদ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি চলতি মৌসুমে নাসিরনগর উপজেলায় ২২-২৫ কোটি টাকার টমেটো উৎপাদনের আশার কথা জানান কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন। তিনি আরও জানান, হাওরবেষ্টিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে খরিপ-১ ও খরিপ-২ উভয় মৌসুমেই গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চাষ জনপ্রিয়।