EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বোদায় ৫ হাজার ৮৯২ কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ, বিতরণ হলো ৩০ হাজার গাছের চারা

ডেইলি সান রিপোর্ট, পঞ্চগড়

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম

বোদায় ৫ হাজার ৮৯২ কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ, বিতরণ হলো ৩০ হাজার গাছের চারা

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ৫ হাজার ৮৯২ জন কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফের সনদ ও ঋণের দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে কৃষকদের মধ্যে ৩০ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

রবিবার (১৯ জুলাই) বোদা পাইলট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সনদ ও দলিল বিতরণ করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষকের অর্থনৈতিক স্বস্তি নিশ্চিত এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের মূলধন ও সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে। পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষকবান্ধব রাজনীতির ধারাবাহিকতায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষিকে জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খেলাপি কৃষিঋণ মওকুফ এবং শতভাগ সুদ মওকুফের মতো কৃষকবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। এর আওতায় দেশের প্রায় ১২ লাখ প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত খেলাপি কৃষিঋণের মূলধন ও সুদ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে পরিশোধ করছে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বোদা উপজেলায় এ সুবিধার আওতায় মোট ৫ হাজার ৮৯২ জন কৃষক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকের পাঁচটি শাখার ২ হাজার ৪২০ জন এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) পাঁচটি শাখার ৩ হাজার ৪৭২ জন কৃষকের মোট ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষিঋণ সরকার পরিশোধ করেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ উদ্যোগের ফলে কৃষকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বহু সার্টিফিকেট মামলা নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ঋণমুক্তির সনদ ও দলিল হাতে পেয়ে কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন