দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে প্রকৌশলীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জামায়াত আমিরের
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলে দেশে ইলেকট্রোমেকানিক্যাল ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশ ঘটাতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক প্রকৌশলীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে রাজধানীর মিরপুরের রঙধনু কনভেনশন সেন্টারে দি ফোরাম অব ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস, বাংলাদেশ (এফইএবি), ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কর্মী শিক্ষাশিবির-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ উন্নয়ন বাজেট প্রকৌশলীদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। তাই দেশ গঠনে প্রকৌশলীদের দক্ষতার পাশাপাশি সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও পেশাগত মূল্যবোধ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, ইলেকট্রোমেকানিক্যাল ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের প্রসার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রকৌশলীদের কার্যকর অবদান প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশলীদের সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে।
আরেক বিশেষ অতিথি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মাদ সেলিম উদ্দিন বলেন, সৎ ও দক্ষ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রকৌশলীদের মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে হবে।
শিক্ষাশিবিরে আরও বক্তব্য দেন এফইএবি, ঢাকা মহানগরী উত্তরের উপদেষ্টা ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুর রহমান মুছা, ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন, মুফতি মাওলানা ড. আবুল কালাম আযাদ বাশার এবং মুফতি আলী হাসান উসামাসহ অন্যরা।
ফোরামের সেক্রেটারি পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন এফইএবি, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কাজী আবিদ হাসান সিদ্দিক।
দিনব্যাপী এ শিক্ষাশিবিরে ঢাকা মহানগরী উত্তরের বিপুলসংখ্যক প্রকৌশলী, পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতি অংশ নেন। আলোচনা, প্রশ্নোত্তর ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।