বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, ৬ জেলে এখনও নিখোঁজ
ডেইলি সান রিপোর্ট, পটুয়াখালী
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির তিন দিন পরও নিখোঁজ ৬ জেলের সন্ধান মেলেনি, চলছে উদ্ধার অভিযান। ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় তিন দিন পার হলেও পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ছয় জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া পাঁচ জেলের মধ্যে দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির পর থেকে নিখোঁজদের খুঁজতে অভিযান চলছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজরা হলেন গজালিয়া ইউনিয়নের ফোরকান হাওলাদার (৪৫), তার ছেলে সাইদুল ইসলাম (১৯), আল আমিন (৪৫), পানপট্টি ইউনিয়নের হারুন মিয়া (৪০), এমাদুল (৩০) এবং সদর ইউনিয়নের পাক্ষিয়া গ্রামের আকাশ (২২)।
গত রবিবার পায়রা সমুদ্রবন্দরসংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ১১ মাঝিমাল্লার মধ্যে পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ছয়জন নিখোঁজ হন।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন ট্রলারমালিক এমাদুল সিকদার (৩৮), নাজমুল (২২), সাকিল (২১), বায়জীদ (২২) ও রাকিব (২১)। তাদের মধ্যে এমাদুল সিকদার ও রাকিব গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ট্রলারডুবির ঘটনায় ট্রলারের মালিকের বাবা ইদ্রিস সিকদার একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এতে ছয়জন নিখোঁজ ও পাঁচজন জীবিত উদ্ধারের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
গলাচিপা উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী জানান, দীর্ঘ সময় সাগরে ভাসমান থাকা এবং লবণপানি পেটে যাওয়ায় এমাদুল সিকদার ও রাকিবকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর ইজাজুল হক বলেন, উদ্ধার হওয়া জেলে ও তাদের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ৭ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৬ জেলে এখনও নিখোঁজ থাকায় তাদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
