EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকার-বেসরকারি সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার এনজিও ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আরও শক্তিশালী অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকার-বেসরকারি সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব
অ অ

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়নে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেছেন, পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) সফলভাবে বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব আরও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে শিশুদের মৌলিক সাক্ষরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল শিক্ষা, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার, দুর্গম এলাকায় শিক্ষা সেবা সম্প্রসারণ এবং বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও ওয়াশ কার্যক্রম জোরদারে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার মিলনায়তনে ‘পিইডিপি-৫-এর আওতায় প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তরের জন্য অংশীদারত্ব ও সমন্বয় জোরদারে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা’ শীর্ষক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) ও ব্র্যাক যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত পিইডিপি-৫ বাস্তবায়নের বিভিন্ন কৌশলগত অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার এনজিও ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আরও শক্তিশালী অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়। তিনি বলেন, কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি খাতে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনো সব শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যায়নি। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে দ্রুত পৌঁছাতে এনজিওগুলোর সক্ষমতা সরকারের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষা সেবা বিস্তারে এনজিওগুলো সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। নীতি প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নেও তাদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহ্‌মদ বলেন, সরকার ও এনজিওর মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা শিক্ষাখাতে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করছে। তবে এসব উদ্যোগের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের শেখার ফলাফলের ওপর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম বলেন, প্রতিটি শিশুর জন্য উন্নত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সব অংশীজনের অব্যাহত সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পিইডিপি-৪) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে বিশ্বব্যাংক, ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশন (ক্যাম্পে), ব্র্যাকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন