EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ডিএনসিসির ২৯ খাল দখলমুক্তের ঘোষণা

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ডিএনসিসির ২৯ খাল দখলমুক্তের ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন মুসলিম বাজার খালসহ ২৯টি খাল পর্যায়ক্রমে অবৈধ দখলমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। একই সঙ্গে রাজধানীকে আরও সবুজ ও পরিবেশবান্ধব নগরীতে পরিণত করতে পাঁচ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথাও জানান তিনি।

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ডিএনসিসির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলা ও অবৈধ দখলের কারণে রাজধানীর অধিকাংশ খাল ভরাট হয়ে গেছে। ফলে খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং জলাবদ্ধতাসহ নানা পরিবেশগত সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, “খালগুলো উদ্ধার করা না গেলে ঢাকা শহরকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। নগরবাসীর স্বার্থে এবং রাজধানীর টেকসই উন্নয়নের জন্য ডিএনসিসির আওতাধীন ২৯টি খাল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দখলমুক্ত করা হবে। এ কাজে যত বাধাই আসুক, তা মোকাবিলা করা হবে।”

মো. শফিকুল ইসলাম খান আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আলোকে ডিএনসিসি পাঁচ লাখ বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

তিনি নগরবাসীর প্রতি ছাদবাগান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবুজ ঢাকা গড়ে তুলতে ছাদবাগানের বিকল্প নেই। তবে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে ছাদে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। নিয়মিত পানি অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাজধানী গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে এবং জনগণের কল্যাণেই সব ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এতে শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।

আরও পড়ুন