EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

‘সংসদে ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে না পারলে আর কোথায় বলব?’

ঋণখেলাপি সদস্যদের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের প্রশ্ন; সংসদের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান সরকারদলীয় সদস্যের

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

‘সংসদে ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে না পারলে আর কোথায় বলব?’

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিচ্ছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

অ অ

জাতীয় সংসদে ঋণখেলাপি সদস্যদের ‘ঋণখেলাপি’ হিসেবে উল্লেখ করা নিয়ে ওঠা আপত্তির সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “এই সংসদে যদি আমরা ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে না পারি, তাহলে আর কোথায় বলব?”

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নাহিদ ইসলাম বলেন, তাঁর প্রথম সংসদীয় বক্তব্যে তিনি কয়েকজন সংসদ সদস্যের ঋণখেলাপির তথ্য তুলে ধরেছিলেন, যদিও কারও নাম প্রকাশ করেননি।

তিনি বলেন, “যে দল ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিয়ে সংসদে নিয়ে আসে, সেটির দায় সেই দলের ওপরই বর্তায়। সংসদে যদি বিপুলসংখ্যক ঋণখেলাপি থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এটিকে ঋণখেলাপিদের সংসদ বলবে।”

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও বলেন, “আমরা সংসদকে সার্বভৌম বলছি। কিন্তু এই সংসদে দাঁড়িয়ে যদি ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলা না যায়, তাহলে সেটি উদ্বেগের বিষয়।”

এর আগে একই বিষয়ে বক্তব্য দেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন।

তিনি বলেন, “অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। দেশে-বিদেশে এই সংসদ মর্যাদা অর্জন করেছে।”

সংসদের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বক্তব্য দেওয়ার সময় এমন কোনো মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে।

ফজলুল হক মিলন বলেন, “‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’— এ ধরনের মন্তব্য আত্মঘাতী। আইন অনুযায়ী একজন ঋণখেলাপি সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। তাই এ সংসদকে ঋণখেলাপিদের সংসদ বলা কতটা যৌক্তিক, তা ভেবে দেখা উচিত।”

তিনি সংসদের ভাবমূর্তি রক্ষায় সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন