EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: বিজিবি

বিজিবি জানায়, বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেছে

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১১:৫০ পিএম

বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: বিজিবি

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

সদ্য সমাপ্ত ৫৭তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন নিয়ে কিছু মহল ও সংবাদমাধ্যম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অনুমাননির্ভর মন্তব্য প্রচার করছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (১৫ জুন) বিজিবির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১২ জুন শেষ হওয়া এই সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৩১টি এবং ভারতের পক্ষ থেকে ২১টি এজেন্ডা উপস্থাপন করা হয়। আলোচনার ভিত্তিতে গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রামাণিক দলিল ‘জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশনস (জেআরডি)’- এ উভয় বাহিনীর মহাপরিচালক স্বাক্ষর করেন।

বিজিবি জানায়, বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেছে। নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রাণহানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান জেআরডিতে যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণ, মাদক চোরাচালান ও পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতাসহ বাংলাদেশের সব উদ্বেগ আনুষ্ঠানিকভাবে নথিবদ্ধ করা হয়েছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালকের সাক্ষাৎকে ‘গোপন বৈঠক’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টার তীব্র সমালোচনা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রতিটি সীমান্ত সম্মেলনেই আয়োজক দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টার সঙ্গে অংশগ্রহণকারী বাহিনীপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ একটি প্রতিষ্ঠিত রীতি। এর আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ৫৬তম সম্মেলনেও বিএসএফের ডিজি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এবারও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালকের সাক্ষাৎটি পূর্বনির্ধারিত ও অনুমোদিত ছিল।

বিজিবি আরও উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন, মাদক ও মানবপাচার বন্ধ এবং মিয়ানমার সীমান্তের অস্থিতিশীলতা মোকাবিলায় বিজিবি যখন দৃঢ় অবস্থান নিয়ে জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনছে, তখন বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বকে হেয় করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এটি বিজিবির মনোবল ভাঙার অপচেষ্টা।

সীমান্ত নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে জাতীয় স্বার্থে সংবাদমাধ্যমগুলোকে দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা করার আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি।

আরও পড়ুন