ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, প্রাণ ফিরেছে সৈকতে
হোটেল ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, এবার আগাম বুকিং তুলনামূলক কম। তবে ঈদ-পরবর্তী কয়েক দিনে পরিস্থিতি বদলাবে বলে তারা আশাবাদী...
ডেইলি সান রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ১১:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ঈদুল আজহার ছুটিতে কক্সবাজারে বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকেই বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতসহ জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ভ্রমণপিপাসু মানুষ। লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী ও টেকনাফ সৈকতে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্রের ঢেউয়ে গা ভাসাতে ও ছবি তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।
তবে হোটেল ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে ঈদের ছুটি মিলে যাওয়ায় এবার আগাম বুকিং তুলনামূলক কম ছিল। অতীতের ঈদগুলোর তুলনায় প্রত্যাশিত সংখ্যক পর্যটক এখনো আসেননি বলে তারা মনে করছেন। তবে ঈদ-পরবর্তী কয়েক দিনে পরিস্থিতি বদলাবে বলে আশাবাদী তারা।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে পর্যটক বাড়তে শুরু করেছে। আগামী কয়েক দিনে হোটেলগুলোয় বুকিং হার আরও বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।
এবার পর্যটকরা শুধু সমুদ্রসৈকতেই থেমে নেই। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, মেরিন ড্রাইভ, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধবিহার, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির ও টেকনাফের মাথিনের কূপেও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি চোখে পড়ছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কক্সবাজার এখন ধীরে ধীরে একটি বহুমাত্রিক পর্যটন জেলায় পরিণত হচ্ছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকত ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, লাইফগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।