EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত অর্থ ‘উধাও’, রহস্য উদঘাটনে তদন্তে ডিএনসিসি

রাশেদুল হাসান

প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত অর্থ ‘উধাও’, রহস্য উদঘাটনে তদন্তে ডিএনসিসি
অ অ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বাজেয়াপ্ত করা ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি পে-অর্ডার গোপনে কর্পোরেশনের হিসাব থেকে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নজরদারি ও স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, ২০২৫ সালের জুনে টি এইচ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান গাবতলী কোরবানির পশুর হাট ইজারা নেওয়ার জন্য ডিএনসিসি প্রশাসকের অনুকূলে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি পে-অর্ডার জমা দেয়, যা জামানত হিসেবে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি দরপত্র থেকে সরে দাঁড়ালে নিয়ম অনুযায়ী ওই জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তবে ডিএনসিসির হিসাব শাখা থেকে পাওয়া ব্যাংক বিবরণীতে দেখা যায়, ওই অর্থ কয়েক দিনের মধ্যেই কর্পোরেশনের অনুমোদন ছাড়াই উত্তোলন করা হয়েছে।

ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থ ফেরত দেওয়ার কোনো ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

ডিএনসিসির সচিব মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি শুনেছি প্রতিষ্ঠানটি অর্থ তুলে নিয়েছে। তারা যথাযথ কারণ ছাড়া দরপত্র থেকে সরে দাঁড়ানোয় এবং চুক্তি নিশ্চিত করতে পূর্ণ অর্থ জমা না দেওয়ায় আমরা জামানত বাজেয়াপ্ত করি। কিন্তু কোনোভাবেই অর্থ ফেরতের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সচিব, প্রধান হিসাব কর্মকর্তা এবং প্রশাসকের অনুমোদন ছাড়া এই অর্থ উত্তোলন হওয়ার সুযোগ নেই।’

ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পে-অর্ডার জমা দেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যাচাই করে এর বৈধতা নিশ্চিত করা হয়েছিল।

ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে ডেইলি সানকে জানিয়েছেন।

নথি অনুযায়ী, মিরপুরের আলী হায়দারের মালিকানাধীন টি এইচ এন্টারপ্রাইজ গাবতলী হাটের ইজারার জন্য সর্বোচ্চ ২৫ কোটি টাকার দর প্রস্তাব করে এবং জামানত হিসেবে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার পে-অর্ডার জমা দেয়।

পরবর্তীতে  দরপত্র মূল্যায়ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডিএনসিসি সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত এসবিএসি ব্যাংকের শাখার সঙ্গে যাচাই করে নিশ্চিত হয় যে ২০২৫ সালের ২৮ মে ইস্যুকৃত পে-অর্ডার নম্বর ১৪৭৯৪৭৬ বৈধ ছিল।

আরও পড়ুন