EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

হট্টগোলের মধ্যে ভাষণ শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি, প্রতিবাদ ও ওয়াক আউট বিরোধী দলের

খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্পিকার হিসেবে হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে কায়সার কামাল নির্বাচিত হন।

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৯ এএম

হট্টগোলের মধ্যে ভাষণ শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি, প্রতিবাদ ও ওয়াক আউট বিরোধী দলের

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

২০২৪ জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আজ (বৃহস্পতিবার) শুরু হলো ১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। 

এ সময় প্রধানমন্ত্রী সংসদ অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাব সরকারিদলের পক্ষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সমর্থন করেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। পরে খন্দকার মোশারফ হোসেন সভাপতির আসন গ্রহণ করেন এবং সংসদ অধিবেশনের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়।

চোখ রাখুন ডেইলি সান বাংলার লাইভ পাতায়…

১২ মার্চ ২০২৬

সেদিন ছাত্র–নতাকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিস্টমুক্ত করেছিলাম জাতীয় সংসদকে: নাহিদ

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আজকের দিন আমাদের জাতীয় জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। ৫ আগস্ট তথা ৩৬ জুলাই আমি এবং আমার সহযোদ্ধারা ছাত্র–জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিস্টমুক্ত করেছিলাম জাতীয় সংসদকে। সেদিন আমাদের ভূমিকা ছিল বৈপ্লবিক। 

তিনি বলেন, আজকের একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে সংসদে কথা বলতে পারছি তার জন্য সব জুলাই শহীদদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এ সময় তিনি জুলাই আন্দোলনে প্রাণ হারানো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং তাদের জন্য দোয়া কামনা করেন।

১২ মার্চ ২০২৬

হট্টগোলের মধ্যে ভাষণ শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি, প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ ও ওয়াক আউট বিরোধী দলের

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় বিরোধী দল জামায়াতের সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের হাতে প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

প্ল্যাকার্ডে জুলাই নিয়ে গাদ্দারি চলবে না, জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্যতা বন্ধ করসহ বিভিন্ন স্লোগান লেখা রয়েছে। স্পিকার এ সময় সবাইকে শান্ত থাকতে আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি এর মধ্যে দিয়েই সংসদের অধিবেশনে ঢোকেন। তিনি স্পিকারের পাশে বসেন। সংসদে হইচই করতে থাকেন বিরোধী দল জামায়াতের সংসদ সদস্যরা।

এর মধ্যেই বক্তব্য শুরু করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর বক্তব্য চলাকালে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সংসদ সদস্যদের টেবিল চাপড়াতে দেখা যায়। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ওয়াক আউট করেন।

১২ মার্চ ২০২৬

রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ দিতে আহ্বান স্পিকারের, প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ বিরোধী দলের

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। এ সময় বিরোধী দল জামায়াতের সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান।

তাঁদের হাতে প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডে জুলাই নিয়ে গাদ্দারি চলবে না, জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্যতা বন্ধ করসহ বিভিন্ন স্লোগান লেখা রয়েছে। স্পিকার এ সময় সবাইকে শান্ত থাকতে আহ্বান জানান।

১২ মার্চ ২০২৬

শোকপ্রস্তাব গৃহীত হওয়ার ঘোষণা দিলেন স্পিকার

খালেদা জিয়া ও জুলাই যোদ্ধাদের শোকপ্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর শোকপ্রস্তাব গৃহীত হলো বলে ঘোষণা দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

১২ মার্চ ২০২৬

খালেদা জিয়ার শোক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর, জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে আলোচনা

শোক প্রস্তাবের ওপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে আলোচনা হয়। এখন চলছে শহীদ জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে আলোচনা। আলোচনা করছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

১২ মার্চ ২০২৬

খালেদা জিয়া আজ সংসদে থাকলে সবচেয়ে খুশি হতেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার–১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আজ সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। যত আসনেই নির্বাচন করেছেন সব আসনেই খালেদা জিয়া জিতেছেন। তিনি বলেন, আজকে সেই গণতন্ত্রের মা আমাদের মাঝে নেই। তবে তিনি মানুষের মাঝে আছেন। গণতন্ত্রের অনুপ্রেরণা হিসেবে তিনি জীবিত থাকবেন। তিনি একাত্তর ও জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শোক প্রস্তাবের ওপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে আলোচনা চলার সময় সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

১২ মার্চ ২০২৬

বক্তব্য দিচ্ছেন সংসদ সদস্যরা

সংসদে বক্তব্য দেন যশোর–৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম, সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, রংপুর-২ (তারাগঞ্জ এবং বদরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। দেশ ও রাজনীতিতে তার ভূমিকার কথা বলেন।

১২ মার্চ ২০২৬

শরিফ ওসমান বিন হাদি, আবরার ফাহাদ, ফেলানী খাতুনের নাম শোক প্রস্তাবে আনার দাবি নাহিদের

শরিফ ওসমান বিন হাদি, আবরার ফাহাদ, ফেলানী খাতুনের নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের।

১২ মার্চ ২০২৬

খালেদা জিয়া, মনমোহন, খামেনি ও ৩১ জন সংসদ সদস্যের প্রতি শোকপ্রস্তাব, নিজামী– সাঈদী–হাদীসহ বিভিন্ন নেতার প্রতি শোকপ্রস্তাব আনার দাবি

সংসদে শোকপ্রস্তাব আনা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, পোপ ফ্রান্সিস, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি। এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জন সাবেক সংসদ সদস্যের প্রতি শোকপ্রস্তাব আনা হয়।

এ সময় বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, শোকপ্রস্তাবটি একপেশে। তিনি মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, শরিফ ওসমান হাদিসহ বিভিন্ন নেতাদের প্রতি শোকপ্রস্তাব আনার দাবি জানান।

১২ মার্চ ২০২৬

খালেদা জিয়া, মনমোহন, খামেনির প্রতি শোকপ্রস্তাব

সংসদে শোকপ্রস্তাব আনা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, পোপ ফ্রান্সিস, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি।

এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জন সাবেক সংসদ সদস্যের প্রতি শোকপ্রস্তাব আনা হয়।

১২ মার্চ ২০২৬

আপনি লড়াকু মুক্তিযোদ্ধা, আপনি পারবেন: স্পিকারকে বললেন বিরোধী নেতা

বিরোধী দলের নেতা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, আজকের সংসদ জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়ানো সংসদ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্পিকারের কাছে সরকারি ও বিরোধী দল আলাদা হবে না। স্পিকারের কাছে সুবিচার পাবেন বলে প্রত্যাশা জানান বিরোধী দলের নেতা। অনেক তরুণ নেতা আছেন উল্লেখ করে নিজেকেও তরুণ বলেন বিরোধী দলের নেতা।

স্পিকারকে উদ্দেশ করে জামায়াত আমির বলেন, আপনি একজন লড়াকু মুক্তিযোদ্ধা। আপনি পারবেন। স্পিকারের কাছ থেকে শুধু ইনসাফ আশা করেন বলেন শফিকুর রহমান। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।

১২ মার্চ ২০২৬

সবার আগে বাংলাদেশ, এই হোক মূলমন্ত্র: সংসদে স্পিকার

সবার আগে বাংলাদেশ, এই হোক মূলমন্ত্র: সংসদে স্পিকার

নামাজের বিরতির পর বেলা দেড়টার একটু পরেই সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী। আর এই সংসদ গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন।

স্পিকার বলেন, বিভিন্ন সময় স্বৈরশাসকের আগমন ঘটেছে। বাংলাদেশের জনগণ লড়াই করেছে। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট জনগণকে বিদায় দেওয়া হয়েছে। এই অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান।

স্পিকার আরও বলেন, জনগণ সংসদের কার্যক্রম দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সরকার ও বিরোধী দল উভয়পক্ষ জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করবে বলে আশা করেন স্পিকার। নিরপেক্ষতার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলেন স্পিকার। তিনি বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ, এই হোক আমাদের মূলমন্ত্র।

১২ মার্চ ২০২৬

দেশের মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

স্পিকারের বক্তব্যের পর শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আজকের এই সংসদ, বাংলাদেশের জনগণের সংসদ।

দেশের মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ করে বলেন, এই সংসদকে সরকার প্রাণবন্ত করে তুলতে চায়।

এ ক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে সহযোগিতা করার প্রত্যয় জানান। তাঁদের অভিনন্দন জানান।

১২ মার্চ ২০২৬

বিরতির আগে স্পিকারের মাইকে গোলযোগ

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ জোহরের নামাজের জন্য সংসদ অধিবেশনে ২০ মিনিট বিরতি ঘোষণা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা একটার দিকে তিনি এই ঘোষণা দেন। কারিগরি ত্রুটির জন্য সংসদের মাইক এ সময় কাজ করছিল না। স্পিকার হ্যান্ডমাইকে ঘোষণা দেন।

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর সংসদের অধিবেশনে আধঘন্টার জন্য বিরতি ছিল। এ সময় রাষ্ট্রপতি সংসদ ভবনে তাঁর কার্যালয়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ান। পরে বেলা ১২ টা ৫৫ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁর আসনে বসেন। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্পিকারের মাইকে শব্দ হচ্ছিল না। এ কারণে শুরু করতে একটু দেরি হয়। প্রায় তিন মিনিট পরে একটি হ্যান্ড মাইকে বক্তব্য শুরু করেন স্পিকার।

এ সময় সংসদ সদস্যদের অনেকেই দাঁড়িয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান যে, তাঁরা বক্তব্য শুনতে পাচ্ছেন না। তখন স্পিকার যান্ত্রিক গোলোযোগের কথা জানান এবং সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। এরমধ্যে জোহরের আজান শুরু হয়।

১২ মার্চ ২০২৬

স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে শপথ পড়িয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ানো হয়।

এর আগে, সংসদ সদস্যের হ্যাঁ ভোটে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করা হয়।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। প্রথমে সভাপতি হিসেবে নির্বাচন করা হয় সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে।

১২ মার্চ ২০২৬

ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন কায়সার কামাল

ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন কায়সার কামাল

ডেপুটি স্পিকার পদে একটিমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন বলে জানান সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি হলেন সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল। তিনি এই দায়িত্বপালনে সম্মত বলে জানান সভাপতি। তিনি প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদারকে আহ্বান জানান। প্রস্তাব সমর্থন করেন সংসদ সদস্য আশরাফউদ্দিন।

প্রস্তাবটি সংসদে পেশ করা হয়। এতে হাঁ জয়যুক্ত হয়।

১২ মার্চ ২০২৬

স্পিকার নির্বাচিত হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

স্পিকার নির্বাচিত হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

জাতীয় সংসদে স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য একটিমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন বলে জানান সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি এই দায়িত্বপালনে সম্মত আছেন বলে জানান সভাপতি। তিনি প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাব সমর্থন করেন সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম।

প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করা হয়। এতে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়।

১২ মার্চ ২০২৬

সভাপতি হিসেবে মোশাররফের হোসেনের নাম প্রস্তাবকে সমর্থন জানালেন বিরোধীদলীয় উপনেতা

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে সমর্থন জানালেন সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

১২ মার্চ ২০২৬

সভাপতি হিসেবে মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাবকে বিরোধী দলের সমর্থন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ অধিবেশন শুরু হয়।  

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত শেষে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধিবেশনের এ সভায় সভাপতিত্ব করার জন্য জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন, যা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত নামকে সমর্থন জানান। 

১২ মার্চ ২০২৬

সভাপতিত্ব করার জন্য খন্দকার মোশাররফের নাম প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী

সভাপতিত্ব করার জন্য খন্দকার মোশাররফের নাম প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের পর বেলা সোয়া ১১টার কিছু আগে বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত আন্দোলন– সংগ্রামে সব শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপোস করেননি। তিনি খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

তারেক রহমান বলেন, দল–মত নির্বিশেষে তিনি দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই বিএনপির লক্ষ্য। এভাবে বিএনপি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চায় বলেন তিনি। তিনি এতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ায় কোনো বিরোধ থাকতে পারে না, বিরোধ নেই বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী ।

তারেক রহমান সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। এতে পূর্ণ সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

১২ মার্চ ২০২৬

দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী

দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতি পদ শূন্য রেখেই শুরু হয়েছে অধিবেশন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়ার পর বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রামে সব শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপোষ করেননি। তিনি খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

তারেক রহমান বলেন, দল-মত নির্বিশেষে তিনি দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই বিএনপির লক্ষ্য। এভাবে বিএনপি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চায় বলেন তিনি। তিনি এতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ায় কোনো বিরোধ থাকতে পারে না, বিরোধ নেই বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। এতে পূর্ণ সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন