EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

রেলে শৃঙ্খলা ও টিকিট জালিয়াতি রোধ করাই চ্যালেঞ্জ

♦ ঈদযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু আজ ♦ এসি বাসে প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৬ এএম

রেলে শৃঙ্খলা ও টিকিট জালিয়াতি রোধ করাই চ্যালেঞ্জ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে আজই ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে। আজ ১৩ মার্চের টিকিট পাওয়া যাবে। সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে ও টিকিট কেনা সহজ করতে, পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচলরত আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বেলা ২টা থেকে বিক্রি করা হবে।

প্রতিবারের মতো এবারও ঈদে রেলযাত্রায় শৃঙ্খলা নিয়ে সংশয় যাত্রীদের। কারণ টিকিট সংগ্রহ করেও অনেকের ট্রেনে উঠতে না পারার আক্ষেপ লক্ষ্য করা যায় প্রতি বছরই। এসি বগিতে টিকিট চেকিং করে প্রবেশের ব্যবস্থা করলেও, নন এসি বগিগুলোতে এমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় যাত্রীদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে।

কয়েকবারের মতো এবারও ঈদযাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে। কিন্তু প্রতি বছরই জালিয়াতচক্র এনআইডি ব্যবহার করে টিকিট কেটে পরে, সেগুলো কালোবাজারে বিক্রি করার ঘটনা ঘটে। এর সঙ্গে রেলের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে অতীতে। তাই অনলাইনের এ টিকিট জালিয়াতি রোধ করা বড়ো চ্যালেঞ্জ নতুন সরকারের জন্য। 

রেলে শৃঙ্খলা নিশ্চিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থার কথা প্রতিবার বলা হলেও কার্যত তেমন চোখে পড়ে না। এসব নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল বিক্রি করা হবে ১৪ মার্চের টিকিট। এ ছাড়া ১৫ মার্চের টিকিট ৫ মার্চ, ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ পাওয়া যাবে।

যাত্রী চাহিদা আকাশচুম্বী হলেও সে তুলনায় সক্ষমতা বাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদযাত্রায় প্রতি বছর স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা না বাড়িয়ে ক্রমে কমিয়ে চলেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এবার এ সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র পাঁচ জোড়ায়। এর আগে ঈদ উপলক্ষ্যে আট জোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হয়েছিল। উত্তরাঞ্চলের জন্য একটি বিশেষ ট্রেন দেওয়া হলেও সেটি দেওয়া হয়েছে ঢাকা থেকে দূরবর্তী জয়দেবপুর থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত। তাই রাজধানীতে বসবাসরত উত্তরের যাত্রীরা এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।

প্রয়োজনীয় লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) অভাবে অতিরিক্ত ট্রেন চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে-সংশ্লিষ্টরা। ফলে ঈদযাত্রায় বাড়তি ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন নিয়মিত ট্রেনযাত্রীরা।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষ্যে স্বচ্ছন্দে রেলযাত্রা নিশ্চিত করতে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে তিন স্তরের নিরাপত্তা-ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর পরও ঈদের আগমুহূর্তে যাত্রীদের চাপ খুব বেড়ে যায়, তখন শৃঙ্খলা ধরে রাখতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। এ ছাড়া টিকিট কালোবাজারি রোধে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’

[সৌজন্যে বাংলাদেশ প্রতিদিন]

আরও পড়ুন