EN ☀️
×

Follow Us

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

‘আর্টেমিস থ্রি’ মিশন

দুই সপ্তাহে তিন রকেট ছুড়বে নাসা, কেন?

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

দুই সপ্তাহে তিন রকেট ছুড়বে নাসা, কেন?
অ অ

চাঁদে নামার আগে ঝুঁকি কমাতে পৃথিবীর কক্ষপথে তিনটি মহাকাশযান নিয়ে বড় পরীক্ষার পরিকল্পনা করেছে নাসা। সংশোধিত ‘আর্টেমিস থ্রি’ মিশনে ফ্লোরিডা থেকে প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে তিনটি রকেট উৎক্ষেপণ করা হবে। চার নভোচারী ‘অরিয়ন’ ক্যাপসুলকে ব্লু অরিজিন ও স্পেসএক্সের দুটি বাণিজ্যিক ল্যান্ডারের সঙ্গে যুক্ত করে পরীক্ষা চালাবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে মিশনটি ২০২৭ সালের গ্রীষ্মে উৎক্ষেপণ হতে পারে।

নাসার নতুন পরিকল্পনায় এই অভিযানে চাঁদে অবতরণ থাকছে না। মানুষের চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ এখন ২০২৮ সালের জন্য নির্ধারিত।

প্রথমে ব্লু অরিজিনের ‘নিউ গ্লেন’ রকেটে পৃথিবী থেকে প্রায় ২৭৩ মাইল ওপরের নিম্ন কক্ষপথে যাবে ‘ব্লু মুন মার্ক ২’ ল্যান্ডারের একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ। এর কয়েক দিন পর নাসার ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ (এসএলএস) রকেটে উৎক্ষেপিত হবে অরিয়ন। ক্রুদের মধ্যে আছেন নাসার র‍্যান্ডি ব্রেসনিক, ফ্র্যাঙ্ক রুবিও ও আন্দ্রে ডগলাস এবং ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির (ইএসএ) লুকা পারমিতানো।

অরিয়ন প্রায় ৩৪৫ মাইল উচ্চতার কক্ষপথে গিয়ে ল্যান্ডারের সঙ্গে যুক্ত হবে। নভোচারীরা প্রায় দুই দিন ল্যান্ডারের ভেতরে থেকে বায়ুচাপ নিয়ন্ত্রণ, সফটওয়্যার, ফ্লাইট-কন্ট্রোল ও লাইফ-সাপোর্ট ব্যবস্থা যাচাই করবেন। এরপর অরিয়ন বিচ্ছিন্ন হবে।

শেষ ধাপে স্পেসএক্স উৎক্ষেপণ করবে ‘স্টারশিপ ভার্সন ৩’। এর সামনের ডকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অরিয়ন প্রায় দুই ঘণ্টা যুক্ত থাকবে। নভোচারীরা স্টারশিপে ঢুকবেন না, শুধু সংযোগ ও বিচ্ছিন্নকরণ প্রক্রিয়া যাচাই করবেন। এরপর কক্ষপথে আরও প্রায় পাঁচ দিন থাকবেন তাঁরা। এই সময়ে নতুন ‘অরিয়ন ক্রু সারভাইভাল সিস্টেম’ স্যুটও মূল্যায়ন করা হবে।

তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। মে মাসে হটফায়ার পরীক্ষার সময় নিউ গ্লেন রকেট বিস্ফোরিত হয়েছিল; বছরের শেষ নাগাদ উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ব্যবহারযোগ্য করার চেষ্টা করছে ব্লু অরিজিন। নাসা প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যানের অভ্যন্তরীণ স্মারক অনুযায়ী, মিশনটি সূচির চেয়ে প্রায় তিন মাস পিছিয়ে। উৎক্ষেপণের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।

আরও পড়ুন