EN ☀️
×

Follow Us

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

মঙ্গলের চাঁদ ফোবোসের মাটি আনতে যাচ্ছে জাপানি যান

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ পিএম

মঙ্গলের চাঁদ ফোবোসের মাটি আনতে যাচ্ছে জাপানি যান

মঙ্গলের চাঁদ ফোবোসে নমুনা আনতে যাচ্ছে জাক্সার এমএমএক্স। ছবি: নাসা

অ অ

মঙ্গল গ্রহের চাঁদ ফোবোসের মাটি পৃথিবীতে আনতে মহাকাশযান পাঠাচ্ছে জাপান। দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সার ‘মার্শিয়ান মুনস এক্সপ্লোরেশন’ (এমএমএক্স) মিশনের যানটি মঙ্গলবার জাপান সময় ভোর ৪টা ৪১ মিনিটে তানেগাশিমা মহাকাশকেন্দ্র থেকে ‘এইচ৩’ রকেটে উৎক্ষেপণের কথা।

মঙ্গলের দুই উপগ্রহের জন্মরহস্য উন্মোচনই এর মূল লক্ষ্য। এই মিশনে নাসা, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থাসহ কয়েকটি সংস্থা সহায়তা দিচ্ছে।

কেন ফোবোস

মঙ্গলের আলু আকৃতির উপগ্রহ ফোবোস ও ডিমোস এখনো পুরোপুরি পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। এদের উৎপত্তি নিয়ে বিজ্ঞানীরা দ্বিধাবিভক্ত। কারও মতে, মঙ্গলের সঙ্গে কোনো বড় বস্তুর সংঘর্ষের ধ্বংসাবশেষ থেকে এগুলো তৈরি। অন্যদের ধারণা, এগুলো মঙ্গলের মহাকর্ষে আটকে পড়া গ্রহাণু। ফোবোস মঙ্গল থেকে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দূরে থেকে দিনে তিনবার গ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করে। কাছে থাকায় এর মাটিতে মঙ্গলের উপাদান মেলার সম্ভাবনা বেশি।

মিশনের পরিকল্পনা

যানটি ২০২৭ সালের আগস্টে মঙ্গলের কক্ষে পৌঁছাবে। ফ্রান্স ও জার্মানির তৈরি রোভার ‘আইডিফিক্স’ ২০২৯ সালের শুরুর দিকে ফোবোসে নামবে। রোভারের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে জাক্সার যান অবতরণের জন্য সমতল জায়গা বেছে নেবে। নাসা ও জাপানের দুটি ভিন্ন প্রযুক্তিতে অন্তত ১০ গ্রাম মাটি সংগ্রহ করা হবে। নমুনা নিয়ে যানটির পৃথিবীতে ফেরার কথা ২০৩১ সালে। ফোবোসের মহাকর্ষ খুব কম হওয়ায় অবতরণ ঝুঁকিপূর্ণ। ধাক্কা সামলাতে যানে বিশেষ চার পায়ের ল্যান্ডিং গিয়ার যুক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা যা বলছেন

প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইয়াসুহিরো কাওয়াকাতসু জানান, নমুনা বিশ্লেষণ করে বোঝা যাবে, ভবিষ্যতে মঙ্গলে মানব অভিযানের ঘাঁটি হিসেবে ফোবোসকে ব্যবহার করা যাবে কি না।

জাক্সার গবেষক কিওশি কুরামোতোর মতে, মাটি বিশ্লেষণ করে উপগ্রহ দুটির উৎপত্তি নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে। বিজ্ঞানীরা আরও আশা করছেন, নমুনা থেকে মঙ্গলে অতীতে অণুজীবের অস্তিত্ব ছিল কি না, সে বিষয়েও সূত্র মিলতে পারে।

আরও পড়ুন