রিং কাঁপাল নারী-পুরুষ ফাইটাররা, শেষ হলো জুলকান বিটডাউন
ডেইলি সান রিপোর্ট, স্পোর্টস
প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে অপেশাদার মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতা ‘ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স পিএলসি প্রেজেন্টস জুলকান বিটডাউন-০২’। তরুণ ও উদীয়মান নারী-পুরুষ ফাইটারদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই আসর প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ‘জুলকান ইনডোর অ্যারেনা’র মূল রিংয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ছিল দেশের অ্যামেচার ফাইটারদের আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতামূলক অভিজ্ঞতা দেওয়া এবং ভবিষ্যতে পেশাদার পর্যায়ে গড়ে তোলা।
দিনব্যাপী আয়োজনে মিক্সড মার্শাল আর্টস (এমএমএ), বক্সিং ও কিকবক্সিং—এই তিন ডিসিপ্লিনে ২০টির বেশি বাউট অনুষ্ঠিত হয়। তিন মিনিটের তিন রাউন্ডের প্রতিটি লড়াইয়ে ফাইটারদের কৌশল, দক্ষতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্স দর্শকদের দারুণভাবে উজ্জীবিত করে।
টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘সুপার ৪ অ্যামেচার চ্যাম্পিয়নশিপ’। এতে সেমিফাইনালের বিজয়ীরা একই দিনে ফাইনালে মুখোমুখি হয়ে জুলকান বিটডাউনের চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্টের জন্য লড়াই করেন। মোট আটটি ক্যাটাগরিতে বেল্ট প্রদান করা হয়। পাশাপাশি একক বাউটের বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় পদক।
পুরুষদের পাশাপাশি নারী কিকবক্সিংয়ের ৫০ ও ৬৫ কেজি ওজন শ্রেণির লড়াইও দর্শকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।
প্রতিযোগিতার টাইটেল স্পন্সর ছিল ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। ফাইটারদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অফিসিয়াল হেলথকেয়ার পার্টনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। রিংসাইডে মেডিকেল টিমের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি প্রতিযোগীদের নিরাপদ পরিবেশে লড়াই করার সুযোগ করে দেয়।
এ ছাড়া পুরো আয়োজনজুড়ে অফিসিয়াল উপস্থাপক ওয়াহিদার প্রাণবন্ত সঞ্চালনা টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরের আবহ তৈরি করে।
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ‘জুলকান ইনডোর অ্যারেনা’ আন্তর্জাতিক মানের বক্সিং রিং, ফুল-সাইজ এমএমএ কেজ (অক্টাগন), গ্র্যাপলিং ও রেসলিং ম্যাট এবং আধুনিক ফিটনেস সরঞ্জামে সজ্জিত একটি বিশেষায়িত কমব্যাট স্পোর্টস ভেন্যু।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির হেড অব অপারেশনস মাসুদুর রহমান মান্না বলেন, অ্যামেচার পর্যায়ে দক্ষ ফাইটার তৈরি করেই আন্তর্জাতিক মানের পেশাদার খেলোয়াড় গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। তাঁর আশা, জুলকান বিটডাউনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ফাইটাররা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের লাল-সবুজ পতাকার প্রতিনিধিত্ব করবেন।